kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

এসো শিখি ইসলাম—৭

বিদআত কাজে আমল নষ্ট হয়

আহমাদ রাইদ   

১৫ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদআত শব্দটি আরবি। এর অর্থ হলো, আগের কোনো দৃষ্টান্ত ও নমুনা ছাড়াই কোনো কিছু সৃষ্টি ও উদ্ভাবন করা। ইসলামের পরিভাষায় বিদআত বলা হয়, দ্বিনের মধ্যে এমন বিষয় সৃষ্টি করা, যা রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের যুগে ছিল না; বরং পরে তা উদ্ভাবন করা হয়েছে।

বিদআতের বিরুদ্ধে মহানবী (সা.) অত্যন্ত কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব। আর সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ। সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো, (দ্বিনের মধ্যে) নব-উদ্ভাবিত বিষয়। (দ্বিনের মধ্যে) নব-উদ্ভাবিত সব কিছুই বিদআত। প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা, আর প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৫৩৫; নাসায়ি,   হাদিস : ১৫৬০)

বিদআত আবিষ্কারকারী যত বড় ধর্মীয় পণ্ডিতই হোক না কেন, ইসলামে তা গ্রহণযোগ্য নয়। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের দ্বিনের মধ্যে এমন নতুন বিষয় আবিষ্কার করবে, যা তার অন্তর্গত নয়, তাহলে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

বিদআত থেকে বেঁচে থাকার অন্যতম উপায় হলো, মহানবী (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের পথ অনুসরণ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) আরো বলেছেন, ‘আমি তোমাদের আমার ও আমার পরবর্তী সঠিক পথপ্রাপ্ত খলিফাদের অনুসরণের তাগিদ দিচ্ছি। তোমরা একে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থেকো। (দ্বিনের মধ্যে) নব-উদ্ভাবিত বিষয় সম্পর্কে সাবধান হও। কেননা প্রতিটি নব-উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত। আর প্রতিটি বিদআতই হচ্ছে পথভ্রষ্টতা।’ (মুসনাদে আহমাদ ও তিরমিজি)

বিদআত কাজে জড়িত ব্যক্তি কিয়ামতের দিন চরমভাবে লাঞ্ছিত হবে। কিয়ামতের দিন রাসুল (সা.) বিদআতি লোকদের হাউজে কাউসারের পানি পান করাবেন না। তিনি তাদের বলবেন, ‘যারা আমার দ্বিন পরিবর্তন করেছ, তারা দূর হও, দূর হও।’

(বুখারি, হাদিস : ৬৬৪৩)

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা