kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি চান দারুল আরকামের শিক্ষকরা

২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ২০০০ আলেম শিক্ষক বেতনহীন

আতাউর রহমান খসরু   

৮ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি চান দারুল আরকামের শিক্ষকরা

গত ছয় মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার দুই হাজার ২০ জন শিক্ষক। করোনা সংকটের মধ্যে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাঁদের। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, প্রকল্প জটিলতায় দারুল আরকাম মাদরাসা বন্ধ আছে এবং শিক্ষকরা বেতন পাচ্ছেন না সাত মাস ধরে। এই সংকট কাটাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছেন তাঁরা।

অন্যদিকে মাদরাসা চালু ও বকেয়া বেতনের দাবিতে সারা দেশে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন তাঁরা। গত সোমবার (৬ জুলাই) শিক্ষকদের কেন্দ্রীয় কমিটি দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৬ দফা দাবিতে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই মূলত আমরা স্মারকলিপি প্রদান করেছি। আমরা আশা করছি, প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি হবে এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই সংকট থেকে রক্ষা পাবে।’ তিনি আরো জানান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন এবং আপাতত তাঁরা কোনো ধরনের আন্দোলন বা কর্মসূচির চিন্তা করছেন না।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের প্রতি উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ‘দারুল আরকাম’ নামে এক হাজার ১০টি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করে। ২০১৮ সালে এক হাজার ১০ জন কওমি ও সমসংখ্যক আলিয়া মাদরাসার সনদধারী আলেম নিয়োগ দেওয়া হয়। শুরুতে ইফার নিজস্ব সিলেবাসে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান শুরু হলেও ২০১৯ সালে এসব মাদরাসা পঞ্চম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশেষ চাহিদায় প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রাখা হয়। কিন্তু গত ১১ মে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি পাস হলেও প্রকল্প থেকে দারুল আরকাম মাদরাসা বাদ দেওয়া হয়। এতে দুই লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেমন অন্ধকারে, তেমনি দুই হাজার আলেম শিক্ষক বেতনহীন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা