kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

যে বই পশ্চিমা বিশ্বের ভুল ভাঙাতে পারে

মাহমুদুল হাসান

৩ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যে বই পশ্চিমা বিশ্বের ভুল ভাঙাতে পারে

What the Qur’an Meant  যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বুদ্ধিজীবী গ্যারি উইলস  (garry wills) এর বই। মিডিয়ার প্রভাবে পশ্চিমা বিশ্বের মানুষের মধ্যে কোরআন ও ইসলাম সম্পর্কে কী মনোভাব তৈরি হয়েছে, তার একটি চিত্র এই বইয়ে পাওয়া যায়। গ্যারি উইলস একজন বেস্ট সেলার অথর। তাঁকে আমেরিকার একজন প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী হিসেবে ধরা হয়।

ইউরোপীয় অমুসলিমদের ইসলাম ও মুসলমানদের সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যায় এই বইয়ে। টুইন টাওয়ার হামলাসহ বড় বড় ঘটনাগুলোর কারণে, মিডিয়ার অপপ্রচারের কারণে, যুদ্ধবিধ্বস্ত মুসলিম দেশগুলোর অবস্থার দিকে তাকিয়ে এবং মুসলিম দেশগুলোর কিছু কিছু সংগঠনের কারণে ইউরোপীয় অনেকের মধ্যে এ ধারণা বদ্ধমূল যে ইসলাম মানেই সন্ত্রাসের ধর্ম, জঙ্গিবাদের ধর্ম! আর কোরআন মানেই সন্ত্রাসে উদ্বুদ্ধকারী একটি বই!

ইসলাম সম্পর্কে এমন ধারণা গ্যারি উইলসেরও ছিল। কোনো এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, আপনি কি কোরআন পড়েছেন? তিনি বললেন, না। বিষয়টি গ্যারিকে ভাবিয়ে তুলল। গ্যারি চিন্তা করলেন, যে বইটি বিশ্বের ১.৬ বিলিয়ন মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রণ করে, যে বইটিকে বিশ্বের এত এত মানুষ শ্রদ্ধা করে সেটি অবশ্যই পড়া উচিত। তিনি কোরআন পড়তে শুরু করেন। কোরআন পড়ে তিনি সেখান থেকে বিভিন্ন নোট নিয়েছেন। সেগুলো এই বইয়ে লিখেছেন। তিনি সবিস্ময়ে লিখেছেন যে কোরআনে কোথাও বোমা বানানোর তথ্য নেই! সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কথা নেই! অথচ কোরআনের বিরুদ্ধে, ইসলামের বিরুদ্ধে এসব তথ্য প্রচার করা হয়।

একপর্যায়ে তিনি বলতে বাধ্য হয়েছেন যে আমাদের মিডিয়ার মাধ্যমে ইসলাম সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এবং এর পরিধি দিন দিন বাড়ছে। তিনি এ কথাও বলেছেন যে এটি ইউরোপের দৈন্য ও অজ্ঞতা। তিনি কোরআন সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছেন। কোরআন ও বাইবেলের মধ্যে সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য খুঁজেছেন। কোরআনের ঐতিহাসিক মর্যাদা এবং এর জ্ঞানগত সত্যতার ওপর তিনি আলোকপাত করেছেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা