kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

প্রশ্ন-উত্তর

তাবিজ ব্যবহারের বিধান

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



প্রশ্ন : আমি কালের কণ্ঠ ইসলামী জীবন পাতার নিয়মিত পাঠক, দ্বিন সম্পর্কে অনেক ভালো কিছু আমি এখান থেকে জানতে পারি। আলহামদুলিল্লাহ। তাই আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশে আলেম-উলামাদের একটা পক্ষ তাবিজকে হালাল বলছে, আরো বলছে তাবিজ ব্যবহারে ইসলামের হুকুম রয়েছে। আমি আপনাদের কাছে জানতে চাই, তাবিজ ব্যবহারে ইসলামের হুকুম কী আর ব্যবহারকারী জানার পরও যদি তাবিজ ব্যবহার করে, তাহলে মৃত্যুর পর তার ফলাফল কী?

—ফয়সাল, বিবিরহাট, মুরাদপুর, চট্টগ্রাম।

 

উত্তর : কোনো বৈধ প্রয়োজনে কোরআন শরিফের আয়াত, হাদিসে বর্ণিত দোয়া, জিকির বা সঠিক অর্থবহ কোনো দোয়া ইত্যাদি সংবলিত তাবিজ ব্যবহার বৈধ। শর্ত হলো, তাবিজকে সত্তাগত শক্তিতে প্রভাব সৃষ্টিকারী হিসেবে বিশ্বাস করা যাবে না। বরং আল্লাহ তাআলার হুকুমে কাজ হওয়ার আশা রাখবে। তবে শিরকি শব্দ, কুফরি কালাম বা অনর্থক লেখাসংবলিত তাবিজ ব্যবহার করা বৈধ নয়। (মুসলিম, হাদিস : ২২০০, তাকমিলা : ৪/৩২৬, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৬৯৬, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১/৬৪৩-৬৪৪)

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা