kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রশ্ন-উত্তর

অংশীদারির ভিত্তিতে পুকুরে মাছ চাষ করার নিয়ম

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রশ্ন : একটি পুকুরে কয়েকজন অংশীদার। সবাই অংশ হিসেবে এতে খরচ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে পরস্পর সম্পর্কের অবনতির কারণে কিছু অংশীদার এতে মাছ চাষ করতে সম্মত নয়। আর কয়েকজন এতে মাছ চাষ করে। আর যারা মাছ চাষ করতে সম্মত নয় তাদের মাছের অংশ দিয়ে থাকে। কিন্তু তারা ওই মাছ গ্রহণ করে না। ফিরিয়ে দেয়। তারা ফেরত দেওয়া মাছ এলাকার গরিব-মিসকিনদের দিয়ে দেয়। শরিকি পুকুরে এভাবে মাছ চাষ করা এবং ফেরত দেওয়া মাছ গরিব-মিসকিনকে দেওয়া জায়েজ আছে কি না?

—হাবিবুর রহমান সোহাগ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

 

উত্তর : শরিকি পুকুরে মাছ চাষ করতে হলে সব অংশীদারের সম্মতি প্রয়োজন। যদি অংশীদারদের কেউ মাছ চাষে অসম্মতি জানায় এবং অন্য অংশীদাররা মাছ চাষ করতে আগ্রহী হয়, তাহলে নিম্নের কোনো একটি পন্থা অবলম্বন করা যেতে পারে।

১.   যারা মাছ চাষে আগ্রহী তারা মাছ চাষে অনিচ্ছুক অংশীদারদের থেকে তাদের অংশ একটি নির্ধারিত মেয়াদের জন্য ভাড়া নেবে এবং উভয় পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত ভাড়া তাদের প্রদান করবে। এ ক্ষেত্রে মাছ চাষকারীরা উৎপাদিত সব মাছের মালিক হবে। আর মাছ চাষে অনিচ্ছুকরা তাদের অংশের নির্ধারিত ভাড়া পাবে।

২.   উভয় পক্ষ আলোচনা করে একটি সমঝোতা চুক্তি করতে পারে, যার মাধ্যমে এক পক্ষ একটি মেয়াদের জন্য (যেমন—এক বছর, দুই বছর বা পাঁচ বছর) ব্যবহার করবে। অন্য পক্ষ পরবর্তী মেয়াদের জন্য তা ব্যবহার করবে। এভাবে মাছ চাষে ইচ্ছুক অংশীদাররা তাদের মেয়াদের মধ্যে মাছ চাষ করতে পারবে।

উল্লেখ্য যে প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে কিছু অংশীদার কর্তৃক ফেরত দেওয়া মাছ দান করে দেওয়া দূষণীয় হয়নি।

সূত্র : খোলাসাতুল ফাতাওয়া : ৩/১০৯; মাজাল্লাতুল আহকামিল আদলিয়্যা, মাদ্দা : ৪২৯, ১১৭৮; শরহুল মাজাল্লাহ, আতাসি : ২/৪৯৩, ৪/১২২

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা