kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দোয়ার অভাবনীয় সাফল্য

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দোয়ার অভাবনীয় সাফল্য

ইসলামের প্রথম যুগে যাঁরা মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছেন, ইসলামের জন্য তাঁদের ত্যাগ অবিস্মরণীয়। মক্কার কাফিরদের নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে বাঁচতে তাঁরা মদিনায় হিজরত করেন। তাঁদের সব সম্পদ মক্কায় রেখে চলে আসেন। আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.)ও একজন মুহাজির ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি বাজারে গিয়ে কেনাবেচা করে লাভবান হতেন। তিনি পণ্য বাকিতে কিনে তা আবার লাভে বিক্রি করেন। এভাবে তিনি ব্যবসার মূলধন সঞ্চয় করেন। তিনি খুব ভালো ব্যবসা জানতেন। ব্যবসা করতে করতে যখন তাঁর কাছে অনেক সম্পদ জমে, তিনি বিবাহকার্য সম্পন্ন করেন। অতঃপর তিনি রাসুল (সা.)-এর কাছে আসেন। তাঁর গায়ে তখনো জাফরানের কিছু চিহ্ন ছিল। অর্থাৎ তাঁর কাপড় থেকে তখন নারীদের সঙ্গে মেলামেশার কারণে এক ধরনের ঘ্রাণ আসছিল। নতুন বিবাহিতদের শরীরে তা আঁচ করা যায়।

রাসুল (সা.) তাঁর পরিবর্তন দেখে বিবাহের বিষয়টি উপলব্ধি করেন। তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান, কেমন আছ?’ আবদুর রহমান (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল, আমি এক আনসারি নারী বিবাহ করেছি। রাসুল (সা.) তাঁর কথা শুনে আশ্চর্যান্বিত হন। রাসুল (সা.) ভাবলেন, কিভাবে সে বিবাহ করল, অথচ অল্প কদিন হলো হিজরত করে এসেছে সে? ধন-সম্পদ পেল কোথায়? অতঃপর রাসুল (সা.) বলেন, ‘তাকে মোহরানা দিয়েছ?’ আবদুর রহমান (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল, খেজুরের দানা পরিমাণ স্বর্ণ দিয়েছি। রাসুল (সা.) তা শুনে খুব খুশি হন। আর বলেন, ‘তাহলে এখন একটা ছাগল দিয়ে হলেও ওলিমা দাও।’ রাসুল (সা.) তাঁর ব্যবসা ও সহায়-সম্পদে বরকতের জন্য দোয়া করেন। আবদুর রহমান (রা.) বলেন, আমি মাটি থেকে পাথর তুললেও তার নিচে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য থাকার আশা করতাম। আল্লাহর রাসুলের দোয়ার অত্যধিক বরকতে তিনি যেকোনো কিছুতেই লাভবান হতেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা