kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

ঐতিহ্য

নতুন রূপে পুরনো মসজিদ

হাবিব তারেক   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নতুন রূপে পুরনো মসজিদ

বেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ

বাংলাদেশে ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের হাত ধরে বহু মসজিদ নির্মিত হয়েছে। ১৬৭৩ সালের দিকে ঈশা খাঁর পঞ্চম বংশধর দেওয়ান হয়বত বর্তমান কিশোরগঞ্জের হয়বতনগরে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন। হয়বতনগরের ১২ আনা অংশের জমিদার আয়েশা আক্তার খাতুন পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বেলাব (বর্তমান নরসিংদীর একটি উপজেলা) বাজারে মসজিদ নির্মাণের জন্য জায়গা দেন বলে জানা যায়। এ জায়গায় প্রথম মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন বীরবাঘবর গ্রামের মাহমদ ব্যাপারী। এই মসজিদই ‘বেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ’ নামে পরিচিত। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের মাধ্যমে মসজিদ পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার হয়েছে। প্রথম নির্মাণের সময় মসজিদে সাতটি গম্বুজ ছিল। বর্তমানে মসজিদটিতে গম্বুজ নেই; মিনার আছে তিনটি। 

৩০০ বছরেরও বেশি পুরনো এই মসজিদে ধারণক্ষমতা কম হওয়ায় ২০০৬ সালে পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নরসিংদীর শিল্পপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লার অর্থায়নে মসজিদটির কাজ শেষ হয় ২০০৮ সালে। তিন কোটি ২০ লাখ টাকা খরচ করে মসজিদটিকে তিনতলা করা হয়। ৫২ শতাংশ জায়গার ওপর গড়া দৃষ্টিনন্দন মসজিদটির পশ্চিম পাশে কয়েক একর জায়গা একেবারেই ফাঁকা। দূরের পথ দিয়ে যাওয়ার সময় এক দেখাতেই যে কারোরই নজর কাড়ে। মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা ফরিদ আহমদ জানান, এ মসজিদে পাঁচ-ছয় হাজার লোক একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে। আর জুমার দিনগুলোতে ভেতরে-বাইরে মিলিয়ে আট-দশ হাজার লোক নামাজ পড়ে। এ ছাড়া রমজান মাসের জুমাতুল বিদায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ নামাজে শামিল হয়। মসজিদের মোট কর্মী ছয়জন। মসজিদে খতিবের দায়িত্বে আছেন কিশোরগঞ্জের আলেম ড. মাওলানা মুফতি খলিলুর রহমান আল আজহারি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা