kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফিলিস্তিনের প্রতিবন্ধী হাফেজ ইবরাহিমের বিস্ময়কর গল্প

বেলায়েত হুসাইন   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফিলিস্তিনের প্রতিবন্ধী হাফেজ ইবরাহিমের বিস্ময়কর গল্প

প্রতিবন্ধী বালক ইবরাহিম মাজিদ কাবাজার জন্মস্থান ফিলিস্তিন। গাজার মধ্যাঞ্চলীয় নুসাইরাত শরণার্থী ক্যাম্পে মায়ের সঙ্গে বসবাস তার। জন্ম থেকেই কিছুটা প্রতিবন্ধী। বয়স অনুপাতে শরীরের গঠন ঠিক নেই। ঠিকমতো বেড়ে ওঠেনি। মানসিক অবস্থাও ভারসাম্যপূর্ণ নয়। ঠিকমতো হাঁটতে পারে না ইবরাহিম। ইবরাহিম মাজিদের বয়স যখন চার-পাঁচ বছর তখন তাকে একটি কামরায় আটকে রেখে তার মা কাজ করতেন। সেখানে টিভিতে কোরআন তিলাওয়াত চালু করে রাখতেন, যেন তা সে শুনে শুনে কোরআন তিলাওয়াত শিখতে পারে ইবরাহিম। এভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিভিতে প্রচারিত কোরআনবিষয়ক অনুষ্ঠানমালার প্রতি তার আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে থাকে। বেশির ভাগ সময় সে এমন অনুষ্ঠান দেখত, যেগুলোতে তিলাওয়াতের পাশাপাশি কোরআনের আয়াতগুলো টিভির পর্দায় ভেসে ওঠে। বন্ধ কক্ষে কোরআনের সঙ্গে এভাবে দিন কাটছিল তার। 

একটা সময় ইবরাহিমের পরিবার বুঝতে পারল টিভি দেখে দেখে সে কোরআনের অনেক সুরা ও আয়াত মুখস্থ করে ফেলেছে। পরে একটু একটু করে পুরো কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করে। ৯ বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করে সে। কোনো প্রকার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও ইবরাহিম মাজিদের তিলাওয়াত বিশুদ্ধ ও শ্রুতিমধুর। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, সে আরবি দেখে পড়তে বা লিখতে পারে না, অথচ কোরআনের যেকোনো জায়গা খুলে দিলে সে বলতে পারে এটি কোন সুরার কোন আয়াত। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কোরআনের আয়াত লেখা থাকলেও সেটি সে বুঝতে পারে। কোরআনের সঙ্গে তার এই আত্মিক সম্পর্ক আরববিশ্বে রীতিমতো বিস্ময়-ঝড় তুলেছে।

 

সূত্র : কানাতুল আলম

 


6

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা