kalerkantho

কিভাবে কোরবানির প্রস্তুতি নেবেন

মুফতি তাজুল ইসলাম   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



কিভাবে কোরবানির প্রস্তুতি নেবেন

কার ওপর কোরবানি ওয়াজিব

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রুপা, অলংকার, বসবাস ও খাবারের প্রয়োজন আসে না—এমন জমি, প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যাবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাব কোরবানির নিসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

আর নিসাব হলো সোনার ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। টাকা-পয়সা ও অন্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো সেগুলো সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রুপা কিংবা টাকা-পয়সার মধ্যে কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নিসাব পরিমাণ না থাকে; কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। (আল-মুহিতুল বুরহানি : ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া  : ১৭/৪০৫)

উল্লেখ্য, কোরবানির নিসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়, বরং কোরবানির তিন দিনের মধ্যে যেকোনো দিন থাকলেই কোরবানি ওয়াজিব হবে। (বাদায়েউস সানায়ে : ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার : ৬/৩১২)

কোরবানির সময়

মোট তিন দিন কোরবানি করা যায়। জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত। তবে সম্ভব হলে জিলহজের ১০ তারিখেই কোরবানি করা উত্তম। (মুয়াত্তা মালেক : ১৮৮, বাদায়েউস সানায়ে : ৪/১৯৮, ২৩, ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ৫/২৯৫)

যেসব এলাকার লোকদের ওপর জুমা ও ঈদের নামাজ ওয়াজিব, তাদের জন্য ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা জায়েজ নয়। অবশ্য বৃষ্টিবাদল বা অন্য কোনো ওজরে যদি প্রথম দিন ঈদের নামাজ না হয়, তাহলে ঈদের নামাজের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর প্রথম দিনেও কোরবানি করা জায়েজ। (বুখারি : ২/৮৩২, ফাতাওয়া কাজিখান : ৩/৩৪৪, আদ্দুররুল মুখতার : ৬/৩১৮)

দরিদ্র ব্যক্তি কোরবানি করলে কি আদায় হবে?

দরিদ্র ব্যক্তির (যারা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক নয়) ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব নয়; কিন্তু সে যদি কোরবানির নিয়তে কোনো পশু কেনে, তাহলে তা কোরবানি করা ওয়াজিব হয়ে যায়। (বাদায়েউস সানায়ে : ৪/১৯২)

কোনো কারণে কোরবানি করতে না পারলে করণীয়

সামর্থ্যবান ব্যক্তি যদি কোরবানির দিনগুলোতে কোনো কারণে ওয়াজিব কোরবানি দিতে না পারে, তাহলে কোরবানির পশু ক্রয় না করে থাকলে তার ওপর কোরবানির উপযুক্ত একটি ছাগলের মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। আর যদি কোরবানির উদ্দেশ্যে পশু ক্রয় করে থাকে, তাহলে ওই পশু জীবিত সদকা করে দিতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২০৪, ফাতাওয়া কাজিখান : ৩/৩৪৫)

তবে যদি (সময়ের পরে) জবাই করে ফেলে, তাহলে পুরো গোশত সদকা করে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে গোশতের মূল্য যদি জীবিত পশুর চেয়ে কমে যায়, তাহলে যে পরিমাণ মূল্য হ্রাস পেল তা-ও সদকা করতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২০২, আদ্দুররুল মুখতার : ৬/৩২০-৩২১)

কেমন পশু দ্বারা কোরবানি করা বৈধ?

উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। এসব গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য পশু; যেমন—হরিণ, বন্য গরু প্রভৃতি দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ নয়। (কাজিখান : ৩/৩৪৮, বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২০৫) উল্লিখিত পশুগুলোর নর-মাদি দুটিই কোরবানি করা যায়। (কাজিখান : ৩/৩৪৮, বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২০৫) কোরবানির পশু হৃষ্টপুষ্ট হওয়া উত্তম। (মুসনাদে আহমদ : ৬/১৩৬)

উট কমপক্ষে পাঁচ বছরের হতে হবে। গরু ও মহিষ কমপক্ষে দুই বছরের হতে হবে। আর ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে এক বছরের হতে হবে। তবে ভেড়া ও দুম্বা যদি এক বছরের কিছু কমও হয়; কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে দেখতে এক বছরের মতো মনে হয়, তাহলে তা দ্বারাও কোরবানি করা জায়েজ। অবশ্য এ ক্ষেত্রে কমপক্ষে ছয় মাস বয়সের হতে হবে।

উল্লেখ্য, ছাগলের বয়স এক বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই তা দ্বারা কোরবানি জায়েজ হবে না। (কাজিখান : ৩/৩৪৮, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৫-২০৬)

কোরবানির পশুর বয়সের ব্যাপারে বিক্রেতা যদি কোরবানির পশুর বয়স পূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করে এবং পশুর শরীরের অবস্থা দেখেও তা-ই মনে হয়, তাহলে বিক্রেতার কথার ওপর নির্ভর করে পশু কেনা এবং তা দ্বারা কোরবানি করা যাবে।

কোন পশুতে কতজন শরিক হতে পারবে?

একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা দ্বারা শুধু একজনই কোরবানি দিতে পারবে। এমন একটি পশু কয়েকজন মিলে কোরবানি করলে কারোটাই শুদ্ধ হবে না। আর উট, গরু, মহিষে সর্বোচ্চ সাতজন শরিক হতে পারবে। সাতের অধিক শরিক হলে কারো কোরবানি শুদ্ধ হবে না। (সহিহ মুসলিম : ১৩১৮, মুয়াত্তা মালেক : ১/৩১৯, কাজিখান : ৩/৩৪৯, বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২০৭-২০৮)

আবার সাত শরিকে কোরবানি করলে সবার অংশ সমান হতে হবে। কারো অংশ এক-সপ্তমাংশের কম হতে পারবে না। যেমন—কারো আধাভাগ, কারো দেড় ভাগ। এমন হলে কোনো শরিকের কোরবানিই শুদ্ধ হবে না। (বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২০৭)

এসব প্রাণীর মধ্যে সাত ভাগেই কোরবানি করা জরুরি নয়, সাতের কমে যেকোনো সংখ্যা যেমন—দুই, তিন, চার, পাঁচ ও ছয় ভাগে কোরবানি করাও জায়েজ। (মুসলিম, হাদিস : ১৩১৮, বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২০৭)

কোরবানির পশুতে আকিকা করা যাবে কি?

কোরবানির গরু, মহিষ ও উটে আকিকার নিয়তে শরিক হতে পারবে। এতে কোরবানি ও আকিকা দুটিই সহিহ হবে। (তাহতাবি আলাদ্দুর : ৪/১৬৬, রদ্দুল মুহতার : ৬/৩৬২)

যেমন পশু দ্বারা কোরবানি করা উচিত নয়

যে পশু তিন পায়ে চলে, এক পা মাটিতে রাখতে পারে না বা ভর করতে পারে না—এমন পশুর কোরবানি জায়েজ নয়। (তিরমিজি : ১/২৭৫, আবু দাউদ : ৩৮৭, বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২১৪)

এমন শুকনো দুর্বল পশু দ্বারাও কোরবানি করা জায়েজ নয়, যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না। (আলমগিরি ৫/২৯৭)

যে পশুর একটি দাঁতও নেই বা এত বেশির ভাগ দাঁত পড়ে গেছে যে ঘাস বা খাদ্য চিবাতে পারে না—এমন পশু দ্বারাও কোরবানি করা জায়েজ নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২১৫, আলমগিরি ৫/২৯৮)

যে পশুর দুটি চোখই অন্ধ বা এক চোখ পুরো নষ্ট সে পশু কোরবানি করা জায়েজ নয়। (তিরমিজি : ১/২৭৫, কাজিখান ৩/৩৫২)

যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙে গেছে, যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সে পশুর কোরবানি জায়েজ নয়। পক্ষান্তরে যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙে গেছে বা শিং একেবারে উঠেইনি সে পশু কোরবানি করা জায়েজ। (তিরমিজি : ১/২৭৬, আবু দাউদ, হাদিস : ৩৮৮, আলমগিরি : ৫/২৯৭)

যে পশুর লেজ বা কোনো কান অর্ধেক বা তারও বেশি কাটা সে পশুর কোরবানি জায়েজ নয়। তবে জন্মগতভাবেই যদি কান ছোট হয়, তাহলে অসুবিধা নেই। (তিরমিজি : ১/২৭৫, মুসনাদে আহমদ : ১/৬১০)

কোরবানির নিয়তে ভালো পশু কেনার পর যদি তাতে এমন কোনো ত্রুটি দেখা দেয়, যে কারণে কোরবানি জায়েজ হয় না, তাহলে ওই পশুর কোরবানি শুদ্ধ হবে না। এর স্থলে আরেকটি পশু কোরবানি করতে হবে। তবে ক্রেতা গরিব হলে ত্রুটিযুক্ত পশু দ্বারাই কোরবানি করতে পারবে। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া : ৪/৩১৯, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২১৬)

পশু জবাই কে করবে?

কোরবানির পশু নিজে জবাই করা উত্তম। নিজে না পারলে অন্যকে দিয়েও জবাই করাতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কোরবানিদাতা পুরুষ হলে জবাইস্থলে উপস্থিত থাকা উচিত। (মুসনাদে আহমদ : ২২৬৫৭, বাদায়েউস সানায়ে : ৪/২২২-২২৩)

কোনো কারণে জবাইকারী জবাই শেষ না করে অন্য কারো সহযোগিতা নিলে উভয়কেই নিজ নিজ জবাইয়ের আগে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ পড়তে হবে। যদি কোনো একজন না পড়ে, তাহলে ওই কোরবানি শুদ্ধ হবে না এবং জবাইকৃত পশুও হালাল হবে না। (রদ্দুল মুহতার : ৬/৩৩৪)

মৃত বা জীবিতের পক্ষ থেকে কোরবানি করার বিধান

মৃতের পক্ষ থেকে কোরবানি করা জায়েজ। মৃত ব্যক্তি যদি অসিয়ত না করে থাকে, তবে সেটি নফল কোরবানি হিসেবে গণ্য হবে। কোরবানির স্বাভাবিক গোশতের মতো তা নিজেরাও খেতে পারবে এবং আত্মীয়-স্বজনকেও দিতে পারবে। আর যদি মৃত ব্যক্তি কোরবানির অসিয়ত করে গিয়ে থাকে, তাহলে এর গোশত নিজেরাও খেতে পারবে না। গরিব-মিসকিনদের মধ্যে সদকা করে দিতে হবে। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস ৮৪৫, ইলাউস সুনান : ১৭/২৬৮, রদ্দুল মুহতার : ৬/৩২৬, কাজিখান : ৩/৩৫২

যেভাবে মৃতের পক্ষ থেকে ঈসালে সওয়াবের উদ্দেশে কোরবানি করা জায়েজ, তদ্রূপ জীবিত অন্য কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে নফল কোরবানি করা জায়েজ। এ কোরবানির গোশত দাতা ও তার পরিবারও খেতে পারবে।

পশুর অর্থমূল্য দান করে দিলে কোরবানি আদায় হবে?

কোরবানি আল্লাহর একটি অন্যতম হুকুম। সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য অবশ্য করণীয় ইবাদত। দান করাও অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। সামর্থ্যবানদের জন্য কোরবানির সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে ১০ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত। এর আগে-পরে কোরবানি করা যাবে না। কিন্তু দান-সদকা যেকোনো সময় করা যায়। তাই যাদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব, তারা কোরবানি না করে কাউকে সেই টাকা সদকা করে দেওয়ার সুযোগ নেই। তা ছাড়া কোরবানির রুহ বা প্রাণ হলো, আল্লাহর জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা, যা আল্লাহর বেঁধে দেওয়া সময়ে আল্লাহর দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী করতে হবে। এর ব্যতিক্রম করলেও তা আদায় হবে না। কারণ কোরবানি আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের উদ্দেশ্যে কোরবানির পশুর রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে কোনো উত্তম ইবাদত নেই। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘কোরবানির দিন আদমসন্তান যেসব আমল করে, তার মধ্যে আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহিত (কোরবানি) করার তুলনায় অধিক পছন্দনীয় কোনো আমল নেই। কোরবানির পশুগুলো কিয়ামতের দিন এদের শিং, খুর ও পশমসহ উপস্থিত হবে। কোরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই (কোরবানি) মহান আল্লাহর কাছে সম্মানের স্থানে পৌঁছে যায়। অতএব তোমরা আনন্দসহকারে কোরবানি করো।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩১২৬, তিরমিজি, হাদিস : ১৪৯৩)

শুধু লোক-দেখানোর উদ্দেশ্যে বড় বড় পশু শোডাউন করে এনে জবাই করার নামও কোরবানি নয়। আল্লাহ আমাদের কোরবানির পশুর গোশত, রক্ত কোনো কিছুরই মুখাপেক্ষী নন। কিন্তু আমরা যদি তাকওয়াসহকারে তাঁর হুকুম আদায় করতে পারি, তবে সেটিই আমাদের জন্য সফলতা ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাধ্যম হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহর কাছে না পৌঁছে তাদের গোশত, আর না তাদের রক্ত, বরং তাঁর কাছে তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে। এভাবেই তিনি এসব পশুকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা এ কারণে আল্লাহর তাকবির বলো যে তিনি তোমাদের হেদায়েত দান করেছেন। যারা সুচারুরূপে সৎকর্ম করে তাদের সুসংবাদ দাও।’ (সুরা হজ, আয়াত : ৩৭)

তাই আমাদের উচিত পরিপূর্ণ ইখলাসের সঙ্গে আল্লাহর জন্য কোরবানি করা। কারো দান করার ইচ্ছা থাকলে কোরবানির পুরো গোশতই সে দান করে দিতে পারে, এতে সওয়াবও বেশি হবে। আবার কেউ চাইলে অল্প খরচে কোরবানি করে বাকি টাকা দানও করতে পারে। কিন্তু কোরবানি না করে দান করলে কোরবানির ওয়াজিব আদায় হবে না।

হাট থেকে হাসিল ফাঁকি দিয়ে পশু কেনা যাবে কি

কেউ বিক্রেতার সঙ্গে চুক্তি করে পশুর হাট থেকে হাসিল ফাঁকি দিয়ে পশু নিয়ে গেলে সেই পশু দিয়ে কোরবানি হবে না। এ কারণে এভাবে পশুর হাটের ইজারাদারদের সঙ্গে প্রতারণা করা মারাত্মক গুনাহ ও সম্পূর্ণ হারাম। (ফাতাওয়া রশিদিয়া : ৪৯৯, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া : ১১/২৮০)

লেখক : খতিব ও তাফসিরকারক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা