kalerkantho

সোমবার । ২২ জুলাই ২০১৯। ৭ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৮ জিলকদ ১৪৪০

চীনের গুয়াংজুতে ইসলাম ও মুসলমান

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন   

২৭ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



চীনের গুয়াংজুতে ইসলাম ও মুসলমান

গুয়াংজু মসজিদ

গুয়াংডং প্রদেশের রাজধানী গুয়াংজু। গুয়াংজুর পুরনো নাম ক্যান্টন। এটি চীনের প্রসিদ্ধ বাণিজ্যকেন্দ্রগুলোর অন্যতম। অন্য দুটি হলো কুনমিং ও সাংহাই। প্রতিবছর গুয়াংজুতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বসে। ৭৪,৩৪৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের গুয়াংজুতে জনসংখ্যা এক কোটি ৩০ লাখ। মূল জনগোষ্ঠী বৌদ্ধ। এর মধ্যে মুসলমান কত তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। গুয়াংজুর রয়েছে ২২০০ বছরের সমৃদ্ধ অতীত। গুয়াংজু ইসলামের প্রবেশদ্বার। তাং বংশের শাসনামলে (৬১৮-৯০৭) আরব বণিকদের মাধ্যমে এই অঞ্চলে ইসলামের আগমন ঘটে। সপ্তম শতাব্দীতে আরব বণিকরা গুয়াংজুতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে বিশেষত Huaisheng Temple এলাকায় স্থায়ী আবাস গড়ে  তোলে এবং মালামাল চীন থেকে আরব, আরব থেকে চীনে আমদানি ও রপ্তানির ব্যবস্থা করে। ব্যাবসায়িক কারণে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে আরবদের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং অনেকে চীনা মেয়েদের পাণিগ্রহণ করে গুয়াংজুতে স্থায়ী হয়ে যায়।

ইসলামের তাওহিদবাদী বিশ্বাস, পরকালীন চিন্তা, মানবতা, উদারতা ও সহনশীলতার শিক্ষা স্থানীয়দের আকর্ষণ করে এবং তারা ধীরে ধীরে ইসলামের ছায়াতলে জমায়েত হতে থাকে। আরব বণিকরা গুয়াংজু থেকে চীনের অন্যান্য প্রদেশে, বিশেষত কুনমিং, সাংহাই, বেইজিং, ইউনান ও জিংজিয়াংয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে থাকে। বণিকরা ছিল মুসলিম। তারা যে অঞ্চলে ব্যবসা করতে গেছে সেখানে ইসলামের বিস্তৃতি ঘটেছে। গুয়াংজুতে তিনটি মসজিদ প্রসিদ্ধ।

 

চীনা সমাজ ধর্মের প্রতি সংবেদনশীল

মাও জেদং (১৯৪৯-১৯৭৬)-এর সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পর থেকে গণচীনে প্রশাসনিক পর্যায়ে নাস্তিক্যবাদ বিকশিত হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ধর্মচর্চা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। মাও জেদং-পরবর্তী সময়ে মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ জীবনাদর্শ হিসেবে উপযোগিতা হারিয়ে ফেললে ধর্মচর্চা আবার চীনে প্রত্যাবর্তন করে। যদিও এখনো কমিউনিস্ট পার্টি শাসিত চীনে দলীয় কর্মীদের পক্ষে অফিস চলাকালে ধর্মচর্চা নিষিদ্ধ। সরকার ধর্মের পক্ষে নয়। সময়-সুযোগে ধর্মের বিপক্ষে অবস্থান নেয়। তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেউ ধর্ম পালন করতে চাইলে সরকার বাধা দেয় না বা কড়াকড়ি আরোপ করে না। ব্যাপক আকারে আনুষ্ঠানিক ধর্মশিক্ষা, ধর্মীয় মাহফিল ও ওয়াজ, দোয়া অনুষ্ঠানের অনুমতি নেই। মুসলমানরা কোনো সংগঠনের ব্যানারে সংগঠিত হোক, এটা সরকারের কাম্য নয়। সরকারি গোয়েন্দারা অত্যন্ত তৎপর।

তবে চীনা জনগণ ও চীনা সমাজ ঐতিহ্যগতভাবে ধর্মের প্রতি দুর্বল ও সংবেদনশীল। তারা কনফুসিয়াসবাদ, তাওবাদ, বৌদ্ধ, ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মকে স্বাগত জানায়। সপ্তম শতাব্দীতে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের আগমন ঘটলেও খ্রিস্টধর্ম ব্যাপকতা লাভ করেনি। সাম্প্রতিক চীন সফরে আমি সন্ধ্যাবেলা আবাসিক এলাকায় ধূপ জ্বালিয়ে প্রার্থনা করতে দেখেছি চীনাদের। বাজারে নানা সাইজের বুদ্ধমূর্তি কেনাবেচা হচ্ছে। বড় বড় বুদ্ধমূর্তির দোকান আছে মার্কেটে।

 

আল্ট্রামডার্নিজমের ছোঁয়া

চীনের বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও সরকারি অফিস-আদালত, পায়খানা ও প্রস্রাবখানায় পানির ব্যবহার নেই, ব্যবস্থাও নেই। শুধু টয়লেট পেপার আছে। শৌচকর্মে টিস্যুর পাশাপাশি পানির ব্যবহার যে স্বস্তিদায়ক, মুসলমানরা ভালোভাবেই জানে। এটি ইসলামী তরিকা এবং মুসলমানরা এতে অভ্যস্ত। একসময় চীনারা শৌচকর্মে পানি ব্যবহার করত। ইদানীং পানির জায়গা দখল করে নিয়েছে টয়লেট পেপার। পোশাক-পরিচ্ছদেও পাশ্চাত্য ঢং ব্যাপকতা লাভ করছে। বেশির ভাগ বয়স্ক মহিলা প্যান্ট আর যুবতিরা হাফপ্যান্ট পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। অনেক যুবতির প্যান্ট ছেঁড়া ও জীর্ণ। পাশ্চাত্যের আগ্রাসন সর্বত্র।

নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে চীনের মানুষ বেশ পরিশ্রমী। বাজার, হাসপাতাল, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শপিং মল, সেলস কাউন্টার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় ও ড্রাইভিংয়ে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। কোনো মানুষ ছুটির দিন কাজ করে না, আবার খোলার দিন ঘোরাঘুরি করে না। ছুটির দিন তারা  ই-মেইলও চেক করে না। সময়জ্ঞান চীনাদের প্রবল। নিয়মানুবর্তিতা ও পরিশ্রম তাদের ক্রমোন্নতির সোপান। সাপ্তাহিক বা মাসিক ছুটি পেলে তারা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেড়াতে বেরোয়। বন্ধুবান্ধব নিয়ে খোশগল্পে মেতে ওঠে। কিছু সময় প্রকৃতির নিবিড় পরিচর্যায় থাকা তারা পছন্দ করে। এতে প্রাণচাঞ্চল্য ও সজীবতা ফিরে আসে। চীনা অনলাইন বিক্রয়কেন্দ্র আলিবাবার সহপ্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ ধনী জ্যাক মা বলেন, সপ্তাহে ছয় দিন দৈনিক ১২ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। এটা না হলে চীনের অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়বে। এই ব্যবস্থাকে তিনি ৯৯৬ বলে থাকেন, অর্থাৎ সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কর্মসময় এবং সপ্তাহে ছয় দিন কর্মদিবস।

 

‘চমৎকার মুসলমানরাই সুন্দর মসজিদ বানায়’

২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল চীনের গুয়াংজুর হুয়াইশেং মসজিদ পরিদর্শন করি। এটি চীনের প্রথম মসজিদ। ৬৫০ সালে এটি নির্মিত হয়। মসজিদের অভ্যন্তরভাগে ৫০০ মুসল্লির নামাজ আদায় করার মতো জায়গা আছে। এরিয়া অনেক বড়। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদিমের কক্ষ, কালচারাল সেন্টার, গ্যালারি, পবিত্র কোরআন চর্চাকেন্দ্র মসজিদটির বৈশিষ্ট্য। মসজিদ কমপ্লেক্সে বেশ কিছু বড়-ছোট বৃক্ষ রয়েছে। দেখা গেল, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের একদল শিক্ষার্থী প্রতিটি বিষয়ের খুঁটিনাটি নিরীক্ষা ও পরখ করে দেখছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নোটবুকে টুকে রাখছে। মসজিদের বাইরে দেয়ালে লেখা আছে Making a beautiful mosque being an excellent Muslim. অর্থাৎ ‘চমৎকার মুসলমানরাই সুন্দর মসজিদ বানায়’।

বিভিন্ন বাণিজ্যকেন্দ্র, ফুট ওভারব্রিজ ও শপিং মলের সামনে তাদের ভিক্ষার পাত্র হাতে দেখা যায়। এতে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার প্রমাণ মেলে। কিছু কিছু স্থানে মুসলমানদের দোকান আছে। সেলসম্যানও মুসলমান। হালাল খাবারের রেস্টুরেন্টও আছে। তারা স্থানীয় কি না জানা নেই। আফ্রিকান, আরব ও তুর্কিরা এখানে ব্যবসা করে। বিজনেস পারমিট নিয়ে ব্যবসা করার কারণে তাদের অর্থনৈতিক কাঠামো মজবুত। যারা ভিক্ষা করে তারা চীনা বংশোদ্ভূত মুসলিম। তাদের চেহারা দেখেই সেটা আঁচ করা যায়।

 

সাহাবি আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর সমাধির প্রবেশপথ

চীনে দমন-পীড়ন

গুয়াংজু থেকে জিংজিয়াংয়ের দূরত্ব ৭৩৫ কিলোমিটার। চীনের বর্তমান সরকার জিংজিয়াং প্রদেশে মুসলমানদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। সব নাগরিকের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। জিংজিয়াং আয়তনে বাংলাদেশের চেয়ে চার গুণ বড়। এক কোটি উইঘুর মুসলিম ও ১৫ লাখ কাজাখ মুসলিমকে প্রশিক্ষণের নামে বন্দিশিবিরে  (concentration camp) আটকে রাখা হয়েছে। চীনের ২৩টি প্রদেশে সরকারিভাবে বিভিন্ন সেমিনার, মতবিনিময়, প্রশিক্ষণ ও আলোচনাসভার মাধ্যমে মুসলমানদের পোশাক-পরিচ্ছদ, তাহজিব-তমদ্দুন ও জীবনাচারে ‘চীনা হয়ে যাওয়ার’ (syncretization) জন্য বাধ্য করা হচ্ছে। এককথায় হান বুদ্ধ জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির সঙ্গে মুসলমানদের মিশে যেতে হবে। জিংজিয়াং, গানচু, নিংজিয়া, ইউনান, হেনান ও কুনমিং অঞ্চলে মুসলমানরা সংখ্যাধিক্য।

 

চীনের যেখানে শুয়ে আছেন সাহাবি আবি ওয়াক্কাস (রা.)

চীনের স্বয়ম্ভরতা

মহাচীন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে গেছে। কী নেই তাদের? বিশাল দেশ, দক্ষ জনগোষ্ঠী, উর্বর ভূমি, সুপেয় পানি, গহিন বনরাজি, প্রযুক্তির জুৎসই ব্যবহার, বিস্ময়কর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বিজ্ঞানবান্ধব আধুনিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে চীন পৃথিবীর নেতৃত্ব দেওয়ায় সক্ষম। পৃথিবীর সব জ্ঞান-বিজ্ঞানকে চীনা ভাষায় ভাষান্তর করা হয়। নিজস্ব স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পৃথক ফেসবুক, গুগল, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মতো সাইবার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চীনারা রীতিমতো কৃতিত্ব দেখিয়েছে। তারা স্বনির্ভর। গোটা পথিবীকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখে।

তাদের নিজস্ব শব্দভাণ্ডার থাকায় বিদেশি শব্দের মুখাপেক্ষী নয়। স্কুল, কলেজ, মার্কেট, রেস্টুরেন্ট, মোবাইল, টিভি, শপিং মল, টি-স্টল, বাস, ট্রাক, কার, ট্যাক্সি, টিকিট টাওয়ার, মিউজিয়াম, হোটেল শব্দের সঙ্গে তারা পরিচিত নয়। এসব শব্দ ইংরেজি। তারা বিদেশি শব্দ ব্যবহার করে না। চীনা ভাষায় এগুলোর প্রতিশব্দ রয়েছে, যা তারা ব্যবহার করে। একজন পর্যটকের জন্য এই পরিস্থিতি বিব্রতকর। অত্যন্ত পরিচিত ক্যান্টন টাওয়ার ও সানিয়াত সেন মিউজিয়াম কেউ চেনে না। কারণ এগুলোর চীনা নাম রয়েছে। গুগলে সার্চ দিয়ে ইংরেজির পাশাপাশি চীনা নাম বের করে দেখালে তৎক্ষণাৎ চিনে ফেলে।

 

সাহাবি আবি ওয়াক্কাস (রা.) মসজিদ কমপ্লেক্স

২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল চীনের গুয়াংজু শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হজরত আবি ওয়াক্কাস (রা.) মসজিদ কমপ্লেক্স পরিদর্শন করি। নামাজ শেষে ইমাম শায়খ আবদুল্লাহ সাহেবের সঙ্গে তাঁর কক্ষে সাক্ষাৎ করি এবং কুশল বিনিময় করি। তিনি আরবি ও ইংরেজি ভাষায় পারঙ্গম। মসজিদটি বেশ বড়সড় এবং প্রাঙ্গণ প্রশস্ত। কয়েক একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই কমপ্লেক্সে রয়েছে হজরত আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর মাজার, ঈদগাহ, কবরস্থান, অজুখানা, শৌচাগার, অফিস কক্ষ, অতিথিশালা। সাহাবিয়ে রাসুল (সা.) হজরত আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর সমাধিস্থল জিয়ারত করি। সপ্তম শতাব্দীতে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি চীনে আসেন। সাহাবির মাজার জিয়ারত করতে আসা অনেক চীনা মুসলমানকে সে সময় অঝোর ধারায় কাঁদতে দেখেছি। চীনের গুয়াংজুতে অবস্থিত হজরত আবি ওয়াক্কাস (রা.) মসজিদ কমপ্লেক্সে আরো কিছু সমাধি রয়েছে, যাঁরা তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে এ দেশে ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে আসেন। হজরত আবি ওয়াক্কাস (রা.) মসজিদে নামাজ আদায় করতে গিয়ে দেখি, মুসল্লিদের মধ্যে প্যাকেটজাত খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণ শেষে বাকি খাবারগুলো মসজিদের বারান্দায় এক জায়গায় জমা রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময় যারা নামাজ আদায় করবে তারা ইচ্ছা করলে খাবার নিতে পারবে। ইসলামী পঞ্জিকার বিশেষ দিনে খাবার এবং রমজানে ইফতারি সরবরাহ করা হয়। দানশীল মুসলমানরা এই খাবার বিতরণ করে থাকে।

স্মর্তব্য যে অনেকে সাহাবি আবি ওয়াক্কাস (রা.) ও সাহাবি হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-কে একই ব্যক্তি মনে করেন। হজরত আবি ওয়াক্কাস (রা.) হলেন হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর বাবা। হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) আদৌ চীনে গেছেন কি না, নাকি গিয়ে ফিরে এসেছেন, সমসাময়িক ইতিহাসগ্রন্থে এ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এটা ব্যাপক গবেষণার ব্যাপার এবং প্রমাণসাপেক্ষ। হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর কবর আছে মদিনার জান্নাতুল বাকিতে। চীনের ক্যান্টনে যে মসজিদ আছে, সেটি তাঁর বাবা আবি ওয়াক্কাস (রা.) নির্মাণ করেন। মসজিদের ওপরে লেখা আছে ‘মসজিদ আবি ওয়াক্কাস’। তাঁর সমাধি গুয়াংজুতে।

লেখক : সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ওমর গণি এমইএস কলেজ, চট্টগ্রাম

খতিব, হজরত ওসমান (রা.) জামে মসজিদ, এ ব্লক হালিশহর, বাসস্টেশন, চট্টগ্রাম

মন্তব্য