আয়াতের অর্থ
‘যেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোনো কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যও পাবে না। তবে আল্লাহ যার প্রতি দয়া করেন তার কথা ভিন্ন। তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। নিশ্চয়ই ঝাক্কুমগাছ হবে পাপীর খাদ্য; গলিত তামার মতো, তাদের পেটে ফুটতে থাকবে ফুটন্ত পানির মতো। তাকে ধরো এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে, অতঃপর তার মস্তকের ওপর ফুটন্ত পানি ঢেলে শাস্তি দাও। এবং বলা হবে, আস্বাদ গ্রহণ করো—তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত! এটা তো তাই, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করতে।’ (সুরা : দুখান, আয়াত : ৪১-৫০)
আয়াতগুলোতে জাহান্নামিদের শাস্তি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. ঈমান না থাকলে শুধু রক্তের সম্পর্কের কারণে পরকালে কারো জন্য সুপারিশ করা যাবে না।
২. পরকালে মানুষ অন্যের সুপারিশ লাভ করবে আল্লাহর অনুগ্রহস্বরূপ, নিজের যোগ্যতার বলে নয়।
৩. পরকালীন প্রতিদান ও শাস্তি থাকা আবশ্যক। পরকালীন জবাবদিহির ভয় না থাকলে সমগ্র পৃথিবীর সব শৃঙ্খলা ধ্বংস হয়ে যাবে।
৪. জাহান্নামিদের জাহান্নামে নেওয়ার আগেই ঝাক্কুম খাওয়ানো হবে অভ্যর্থনার অংশ হিসেবে।
৫. জাহান্নামিদের শাস্তি হিসেবেই ঝাক্কুম খাওয়ানো হবে, তবে তা হবে শাস্তির সূচনা। পরে তারা
আরো কঠিন শাস্তি ভোগ করবে।
(মাআরেফুল কোরআন : ৭/৭৬৩)

