kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

জনশুমারি ও গৃহগণনা

মূল্যস্ফীতির লাগাম টানা সম্ভব হয়েছে : পরিকল্পনামন্ত্রী

জনশুমারির তথ্য আরো স্বচ্ছ করতে পরবর্তী যাচাই শুরু ৯ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের জনশুমারি ও গৃহগণনার তথ্য আরো যাচাই-বাছাই করতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহযোগিতায় ফলাফল যাচাই করবে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)। এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী ১০ অক্টোবর থেকে। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশের ৩৫৪টি নমুনা এলাকায় নতুন করে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে। আগামী ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে এ কার্যক্রম চলবে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত।

বিজ্ঞাপন

গতকাল সোমবার এ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সম্মেলনকক্ষে তথ্য সংগ্রহকারীদের এক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান বিআইডিএসের মহাপরিচালক বিনায়ক সেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বিশেষ অতিথি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম, সচিব মামুন-আল-রশীদ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব শাহনাজ আরেফিন ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ট্যাবের মাধ্যমে কম্পিউটার অ্যাসিস্টেড পারসোনাল ইন্টারভিউয়িং (সিএপিআই) পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ৯ অক্টোবর রাত ১২টা ১ মিনিটে নির্ধারিত এলাকায় অবস্থান করা সব দেশি-বিদেশি নাগরিককে গণনার আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া ছয় মাসের কম সময়ের জন্য সাময়িকভাবে বিদেশে অবস্থান করা নির্দিষ্ট এলাকার সব বাংলাদেশি নাগরিককে আবার গণনা করা হবে। এরপর নতুন তথ্যের সঙ্গে আগে পাওয়া শুমারির তথ্য মিলিয়ে দেখে বলা যাবে শুমারিতে কতটা ভুলত্রুটি হয়েছে। তারপর ওই তথ্য সমন্ব্বয় করে জনশুমারির মূল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘জনগণের টাকা ব্যয় করে এই শুমারি করা হয়েছে। এখন পিইসিও করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, যাতে বড় অঙ্কের এই টাকার সঠিক ব্যবহার হয়। ’

তিনি অরো বলেন, ‘একটি সুখবর আছে। মূল্যস্ফীতির পাগলা ঘোড়ার লাগাম টানা সম্ভব হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করা হবে। আগস্টে মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল, কিন্তু সেপ্টেম্বরে সেটি কমেছে। এর কারণ হচ্ছে এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে চার কোটি লোক সুবিধা পাচ্ছে। ’



সাতদিনের সেরা