kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

২২৬২ কোটি টাকার ছয় প্রকল্প উঠছে একনেকে

চলমান অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও সরকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সচল রাখবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চলমান অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও সরকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সচল রাখতে করছে জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী পরিষদ নির্বাহী কমিটির সভা (একনেক)। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বুধবার অনুষ্ঠিত হবে চলতি অর্থবছরের তৃতীয় একনেক সভা। একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে দুই হাজার ২৬১ কোটি ৯৯ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকার ছয় প্রকল্প। এর মধ্যে তিনটি নতুন প্রকল্প এবং তিনটি সংশোধনী প্রকল্প।

বিজ্ঞাপন

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

প্রকল্পগুলো হচ্ছে : সোনাপুর-কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ (বসুরহাট)-দাগনভূঞা আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-১৪৮) যথাযথমানে উন্নীতকরণ প্রকল্প, চিনকুড়ি সেতু নির্মাণ প্রকল্প, আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কনটেইনার নদীবন্দর স্থাপন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প, কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু হতে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্প, বিসিক মুদ্রণ শিল্প নগরী (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প এবং বরেন্দ্র এলাকায় খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ-দ্বিতীয় পর্যায়।

নাম না প্রকাশের শর্তে পরিকল্পনা কমিশনের এক সদস্য (সচিব) কালের কণ্ঠকে জানান, সরকার তার জনগণের স্বার্থে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এটা স্বীকার করতে হবে যে কিছু কিছু প্রকল্পের সংশোধনী আসছে। কমিশন সেসব প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে তারপর অনুমোদনের জন্য একনেকে উপস্থাপন করছে। এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, ‘এখন আমরা প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে অনেকটা কঠোর হচ্ছি। দেখেশুনে বিবেচনা করে প্রকল্পগুলো পিইসি সভা করছি। ’

ব্যয় বাড়ছে ৪৭১ কোটি টাকা : কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু হতে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্পটি সংশোধনের প্রস্তাব এসেছে পরিকল্পনা কমিশনে। এই প্রকল্পে মূল ব্যয় ছিল দুই হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই হাজার ৩১০ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সংশোধনীতে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে দুই হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। মূল ব্যয় থেকে ব্যয় বাড়ছে ৪৭১ কোটি টাকা।

প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রকল্পটি ২০১৭ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়ে ২০২০ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ায় কথা ছিল। প্রথম সংশোধনীতে সময় বাড়ল জুন ২০২২ পর্যন্ত। প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব পাস হলে তা বাস্তবায়নের সময় হবে ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো, বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস হতে চট্টগ্রাম শহরের চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, বক্সির হাট, বৃহত্তর বাকলিয়া, চান্দগাঁও ও কালুরঘাট ভারী শিল্প এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা করা। ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধি করা। চট্টগ্রাম শহরের আউটার রিং রোডের অংশ হিসেবে যানজট নিরসন করা প্রভৃতি।



সাতদিনের সেরা