kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০২২ । ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

ব্যাংকঋণের সুবিধাবঞ্চিত ৯১% এসএমই প্রতিষ্ঠান

সেমিনারে বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের মোট বিতরণকৃত ঋণের মাত্র ১৮ শতাংশ দেয় দেশের এসএমই খাতে, যা পায় মাত্র ৯ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান। ফলে ব্যাংকঋণের সহায়তাবঞ্চিত বাকি ৯১ শতাংশ এসএমই খাত। এ ছাড়া গত কয়েক বছরে ব্যাংকের মোট ঋণের অনুপাতে এসএমই ঋণের হার কমেছে, যা দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

গতকাল রবিবার সকালে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর এসএমই উন্নয়ন ভাবনা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে এসব কথা বলেন এফবিসিসিআইর প্যানেল উপদেষ্টা ও সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে এসএমইর উন্নয়ন করে বৈষম্য কমিয়ে আনতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। দেশের বর্তমান ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের পেছনে এসএমই খাতের বিকাশ না হওয়াকে দায়ী করেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি জানান, বিশ্বব্যাংকের হিসাবে দেশের এসএমই ঋণের সম্ভাব্য বাজার ২৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু ব্যাংকের ঋণ কাঠামোতে এসএমই খাত অবহেলিত। তাই এই বিশাল লাভজনক খাতে ব্যাংকগুলো নজর দিচ্ছে না।

সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ব্যাংকগুলোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুধু ডলার বিক্রি করে লাভ করার জন্য এতগুলো ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এটা নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। শুধু মুনাফা করাই ব্যাংকের কাজ নয়। তাদের অবশ্যই জাতীয় দায়িত্ব পালন করতে হবে। সে জন্যই তাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। নগর অঞ্চলে বড় গ্রাহকদের ঋণ দিয়ে শহর-গ্রামের মধ্যে বৈষম্য বাড়ানো ব্যাংকের কাজ নয়। বরং উন্নয়ন সুষম করার দায়িত্ব। সীমাবদ্ধতা দ্রুত কাটিয়ে ওঠার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসএমই ফাউন্ডেশনকে আর্থিকভাবে সক্ষম করতে হবে।

 



সাতদিনের সেরা