kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ অক্টোবর ২০২২ । ২১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

প্রবাস আয় প্রেরণ আরো সহজ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

দুটি বিষয়ে ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রেমিট্যান্স আনার ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বিদেশি কোনো মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে চুক্তি করতে (ড্রইং অ্যারেঞ্জমেন্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আগাম অনুমতি নিতে হবে না। এত দিন দেশীয় কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকে বিদেশি মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হতো। একই সঙ্গে ওই দেশে থাকা বাংলাদেশ মিশন বা হাইকমিশনের কাছ থেকেও বিদেশি মানি এক্সচেঞ্জের বিষয়ে ইতিবাচক সুপারিশপত্র আনতে হতো।

এখন থেকে এ দুটি বিষয়ে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, নতুন নিয়মে চুক্তি করার পর বাংলাদেশ ব্যাংককে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে হবে। বাংলাদেশ মিশনের প্রত্যয়নপত্র ছাড়াও চুক্তি করা যাবে।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। চলমান ডলার সংকটের মধ্যে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দেশের ব্যাংকগুলো দ্রুত তাদের নেটওয়ার্ক বাড়াতে পারবে।

বিদেশ থেকে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স আনতে ওই দেশে ব্যাংকের নিজস্ব এক্সচেঞ্জ হাউস খুলতে হয়, কিংবা বিদেশি কোনো এক্সচেঞ্জের সঙ্গে চুক্তি করতে হয়। ওই চুক্তিকে ড্রইং অ্যারেঞ্জমেন্ট বলা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিক বা কোনো দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বিদেশি মালিকানাধীন মানি এক্সচেঞ্জের সঙ্গেই রেমিট্যান্স আনার জন্য চুক্তি করতে পারে দেশের যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক। কোনো এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বা কোনো দেশ থেকে বছরে কী পরিমাণ রেমিট্যান্স আনা যাবে, তারও একটি সীমা নির্ধারণ করা ছিল হুন্ডি ও বৈধ আয়বহির্ভূত অর্থ লেনদেন ঠেকাতে। ডলার সংকটের মধ্যে সম্প্রতি সেই সীমা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন দৈনিক যেকোনো পরিমাণ রেমিট্যান্স আনার সুযোগ রয়েছে। আবার রেমিট্যান্স পাঠাতে কোনো ধরনের কাগজপত্রও লাগছে না প্রবাসী বা মানি এক্সচেঞ্জগুলোর।

আগস্টে আয় ঊর্ধ্বমুখি : এদিকে চলতি আগস্ট মাসের প্রথম সাত দিনে ৫৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা) এই অর্থের পরিমাণ পাঁচ হাজার ২২৫ কোটি টাকা, যা গত বছরের আগস্টের একই সময়ের চেয়ে ৪৮.২০ শতাংশ বেশি।



সাতদিনের সেরা