kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

মেলামাইনের শুল্ক কমালে নেপালে রপ্তানি বাড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নেপালে বাংলাদেশি মেলামাইন পণ্য রপ্তানিতে ৩৫ শতাংশ শুল্ক গুনতে হয়, বিপরীতে ভারতীয় উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র ১০ শতাংশ। ভারতের মতো বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক কমিয়ে আনতে পারলে নেপালে প্রতিবছর মেলামাইন পণ্য থেকে বিপুল পরিমাণ রপ্তানি আয় অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা।

এ ছাড়া পিভিসি খাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাতিল করে ৩ শতাংশ ভ্যাট পুনর্বহাল, প্যাকেজ ভ্যাট আরোপ, রাবার পণ্যকে কৃষিপণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, খেলনা তৈরির খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে আলাদা এইচএস কোড নির্ধারণের দাবি জানান তাঁরা।

গতকাল সোমবার এফবিসিসিআইতে অনুষ্ঠিত প্লাস্টিক, রাবার, মেলামাইন ও পিভিসি পণ্য বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে তাঁরা এই দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন

এ সময় পরিদর্শনের নামে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার হয়রানি বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

বৈঠকে প্রধান অতিথি এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, দেশে কর্মসংস্থান, রপ্তানি আয় ও শিল্পায়নের বিকেন্দ্রীকরণে ভূমিকা রাখছে প্লাস্টিকশিল্প। ২০২৩ সাল নাগাদ মহামন্দার বৈশ্বিক পূর্বাভাসের কথা উল্লেখ করে সিনিয়র সহসভাপতি বলেন, এই মন্দা মোকাবেলার জন্য রপ্তানি আয় বাড়াতে হবে। সে জন্য প্লাস্টিক খাতের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি শামীম আহমেদ জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লাস্টিক খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সঠিকভাবে করতে পারলে বিশ্ববাজারের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারবে বাংলাদেশ।

প্লাস্টিক পণ্যের বৈশ্বিক বাজারের আকার ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাংলাদেশ এ খাত থেকে আয় করে মাত্র ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ১ শতাংশেরও কম। দেশে প্লাস্টিক খাতের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা