kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও শুল্কমুক্ত সুবিধার সম্ভাবনা

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে, খাদ্যদ্রব্য রপ্তানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও শুল্কমুক্ত সুবিধার সম্ভাবনা

তপন কান্তি ঘোষ, সিনিয়র সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত বাণিজ্যসুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তিনি বলেন, গত ১২-১৬ জুন জেনেভায় অনুষ্ঠিত ডাব্লিউটিওর মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে (এমসি ১২) বাংলাদেশের দেওয়া প্রস্তাবগুলো জোরালোভাবে সমর্থন করা হয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, ৪৬টি স্বল্পোন্নত দেশের সম্মিলিত দাবি ছিল এলডিসি থেকে উন্নত দেশে গেলে তারা যেন বিশ্ববাণিজ্যে শুল্কমুক্ত আরো কয়েক বছরের বাড়তি সুবিধা পায়। দর-কষাকষি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

উন্নত দেশগুলো একমত হতে পারেনি। ফলে এ জন্য আলাদা কোনো চুক্তি হয়নি।

আগামী ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় এমসি-১৩ সম্মেলনে ভালো কিছু ফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।

গতকাল রবিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেনেভায় অনুষ্ঠিত মিনিস্ট্রিরিয়াল কনফারেন্স (এমসি-১২) উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ডাব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তপন কান্তি ঘোষ বলেন, জেনেভায় অনুষ্ঠিত ডাব্লিউটিওর মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে বাংলাদেশ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর আরো কয়েক বছর বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে জোরালো দাবি তুলে ধরেছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ১২ বছর বাণিজ্য সুবিধা পাওয়ার সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব থাকলেও তা পরে ৬ থেকে ৯ বছরে বৃদ্ধির দাবি জোরালো হয়েছে। ডাব্লিউটিওর মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে সংস্থার আওতায় প্রাপ্ত সুবিধাগুলো আরো কিছু সময় পর্যন্ত বৃদ্ধির যৌক্তিকতা আছে বলে সম্মেলনে অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কভিড-১৯ এবং ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবেলা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সেক্টরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে ট্রিপস চুক্তি মোতাবেক বাণিজ্য সহজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে, খাদ্যদ্রব্য রপ্তানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ট্রিপসের বিষয়ে বাণিজ্যসচিব বলেন, কভিড বা কোনো মহামারি হলে উন্নয়নশীল দেশগুলো যেন প্যাটেন্টের অধিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমতি ছাড়া ওষুধ বা ভ্যাকসিন তৈরি করা যাবে। এই দাবি উন্নয়নশীল দেশগুলো মেনে নেয়নি। ফলে প্যাটেন্ট নিয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।



সাতদিনের সেরা