kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ আগস্ট ২০২২ । ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১২ মহররম ১৪৪৪

কর্মশালায় তথ্য

এসএমই ঋণের ৮১ শতাংশই পান শহরের উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের শিল্প খাতের কর্মসংস্থানের ৮৫ শতাংশই এসএমই খাতের অবদান। এর পরও চাহিদার ৬৭ শতাংশ ঋণই পান না এ খাতের উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি বিতরণ করা ঋণের মাত্র ১৯ শতাংশ পান গ্রামীণ উদ্যোক্তারা। অথচ কভিড-১৯ সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা।

বিজ্ঞাপন

গতকাল সোমবার এসএমই ফাউন্ডেশন এবং ইউনেস্ক্যাপের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রিথিংকিং এমএসএমই ফাইন্যান্স : আ পোস্ট-ক্রাইসিস পলিসি এজেন্ডা’ শীর্ষক ওয়ার্কশপে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মো. জাকের হোসেন।

ওয়ার্কশপে স্বাগত বক্তব্যে এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে, কভিড-১৯-এর কারণে দেশের ৯৪ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিক্রি কমে গেছে। ২১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের ৩৭ শতাংশ কর্মী কাজ হারিয়েছেন এবং ৭০ শতাংশ কর্মী চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ছিলেন।

তিনি বলেন, ৮৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান লোকসানের মুখে পড়েছে এবং ৩৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ঋণের কিস্তি শোধ করতে পারেনি। এ জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের পরিমাণ আরো বাড়ানো প্রয়োজন অথবা প্রণোদনা প্যাকেজ নতুন করে দেওয়া না হলেও সহজ শর্তে তাদের জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করা দরকার।

এসএমই খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে শিল্পসচিব বলেন, দেশের শিল্প খাতের কর্মসংস্থানের ৮৫ শতাংশই এসএমই খাতের অবদান।

এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন বলেন, কভিড-১৯-এর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এসএমই উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রয়োজন। এ জন্য উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়া সহজ করতে ডিজিটাল সেবা চালু করা যেতে পারে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক মো. মোশাররফ হোসেন জানান, দেশের প্রায় ৮১ লাখ এসএমই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৮ লাখ বা ৭০ শতাংশ শহর এলাকার বাইরে হলেও এসএমই ঋণের ৮১ শতাংশই পান শহর এলাকার উদ্যোক্তারা। আর নারী-উদ্যোক্তারা পান মোট ঋণের মাত্র ৭ শতাংশের মতো।



সাতদিনের সেরা