kalerkantho

সোমবার । ২৭ জুন ২০২২ । ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৬ জিলকদ ১৪৪৩

পর্যটনের বিকাশ না হলে এসডিজি অর্জন ব্যাহত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে দেশের পর্যটন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। এ জন্য পর্যটনশিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাসহ এর সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন জরুরি বলেন মনে করেন এ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ ছাড়া জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশে নিয়ে যেতে হবে। গতকাল সোমবার পর্যটন উন্নয়ন (ইনবাউন্ড, আউটবাউন্ড ও সিভিল এভিয়েশন) বিষয়ক দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

তাঁরা বলেন, পর্যটনের উন্নয়নের জন্য এসডিজির অন্তত ছয়টি লক্ষ্য সরাসরি জড়িত। বাকি লক্ষ্যগুলোও পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত। তাই পর্যটনের বিকাশ না হলে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনও বাধাগ্রস্ত হবে।

সভায় এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, দেশে পর্যটন খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কা থেকে দক্ষ ব্যবস্থাপকসহ জনশক্তি আমদানি করে এ খাতের ঘাটতি মোকাবেলা করার পরামর্শ দেন তিনি।

বৈঠকে বক্তারা আরো বলেন, পর্যটনের সঙ্গে সরাসরি ১০৯টি খাত ও পরোক্ষভাবে এক হাজার ১০০টি খাত সংযুক্ত। প্রতি একজন পর্যটকের জন্য ১০টি প্রত্যক্ষ ও ৩৫টি পরোক্ষ কর্মসংস্থানের তৈরি হয়। তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্যও পর্যটনকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত।

অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা ফের চালুর দাবি জানিয়ে বৈঠকে বক্তারা বলেন, সরকার কভিড-পরবর্তী সময়ে বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশ ভ্রমণকে উন্মুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। পর্যটকদের জন্যও একই ঘোষণা দিলে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকরা আসতে আগ্রহী হবেন।

বৈঠকে ট্যুর অপারেটরদের লাইসেন্স প্রদান, রপ্তানিকারকের স্বীকৃতিপ্রাপ্তি, আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরদের বিদেশে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করা, পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান  জানান ব্যবসায়ীরা।



সাতদিনের সেরা