kalerkantho

সোমবার । ২৭ জুন ২০২২ । ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৬ জিলকদ ১৪৪৩

টানা আট দিন পর দরপতন থামল

বিএসইসির পদক্ষেপে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

♦ ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ১১৮ পয়েন্ট বা ১% বেড়েছে
♦ বাজারের তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বিএসইসি মার্জিন ঋণের পরিমাণ ১:১ হারে বৃদ্ধি করে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিএসইসির পদক্ষেপে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

টানা আট দিন পর দরপতন থেমেছে পুঁজিবাজারে। গতকাল সোমবার পুঁজিবাজারে মূল্যসূচকের বড় উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১১৮ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ বেড়েছে। তবে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

বিজ্ঞাপন

আরেক বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন—দুটিই বেড়েছে। টানা আট দিন ৫৫৫ পয়েন্ট সূচকের পতন ঘটিয়ে অবশেষে উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার। আগের দিন পতনের সেঞ্চুরির পর এবার উত্থানের সেঞ্চুরি দেখল বিনিয়োগকারীরা। টানা পতন ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে কাজ করেছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নিদের্শনা এবং বিএসইসির নানা পদক্ষেপ। বাজারের তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বিএসইসি মার্জিন ঋণের পরিমাণ ১:১ হারে বৃদ্ধি করে। এটিও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও শক্তি বাড়াতে কাজে এসেছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

টানা দরপতনের মধ্যে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআরর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সঙ্গে বৈঠকে এসব নির্দেশ দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির মাধ্যমে ব্যাংকের বিনিয়োগকে পুঁজিবাজারে এই প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগসীমা বা এক্সপোজার লিমিটের বাইরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মার্জিন ঋণের সীমা বাড়ানোসহ আরো কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য আইসিবিকে দেওয়া দেড় শ কোটি টাকার যে তহবিলের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, সেটির মেয়াদ বাড়িয়ে তহবিলের আকার দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্তও হয়েছে।

গতকাল সোমবার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১৮.৮৬ পয়েন্ট বা ১.৯৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৬১.৫৪ পয়েন্টে। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৫.২৬ পয়েন্ট বা ১.১২ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩২.৫৮ পয়েন্ট বা ১.৪৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৩৭৬.৯৯ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৩০৯.৭৫ পয়েন্টে। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ৬৫৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবস থেকে ২৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা কম। আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল ৬৮২ কোটি ২১ লাখ টাকার।

ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৭৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৪৩টির বা ৯১.২২ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৯টির বা ৫.০৫ শতাংশের এবং ১৪টির বা ৩.৭২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৩৩০.৫০ পয়েন্ট বা ১.৮২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪০৮.২২ পয়েন্টে।



সাতদিনের সেরা