kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ মাঘ ১৪২৮। ২৭ জানুয়ারি ২০২২। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সংবাদপত্রশিল্প বাঁচাতে কর ও ভ্যাট ছাড় চায় নোয়াব

এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কাগজের উচ্চমূল্যসহ অন্যান্য খরচ বৃদ্ধি ও বিজ্ঞাপন আয় কমে যাওয়ায় সংবাদপত্রশিল্প রুগ্ণ হয়ে পড়েছে। এ শিল্পকে বাঁচাতে কর ও ভ্যাট ছাড় চেয়েছে নিউজ পেপারস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। একই সঙ্গে করোনায় ক্ষতি পোষাতে সংবাদপত্রশিল্পে প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করার জন্য ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সহযোগিতা চান সংবাদপত্রের মালিকরা।

বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এফবিসিসিআইয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় এসব দাবি জানানো হয়।

দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের ভূমিকা : সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নোয়াবের সঙ্গে এই মতবিনিময়সভার আয়োজন করে এফবিসিসিআই। এতে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নোয়াব সভাপতি একে আজাদ, নোয়াবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, নোয়াবের সাবেক সভাপতি ও প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, দ্য ফিন্যানশিয়াল হেরাল্ডের সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ এফবিসিসিআইয়ের কর্মকর্তারা।

নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, ‘সংবাদপত্রের আয় বাড়েনি, বিজ্ঞাপন কমে গেছে। এখন বিজ্ঞাপনে ডিসকাউন্ট অনেক দিতে হচ্ছে। পত্রিকা বিক্রি ও বিজ্ঞাপন বাবদ অনেক টাকা অনাদায়ী থাকছে। ’ তিনি বলেন, ‘করোনার সময় সরকার বিভিন্ন খাতে প্রণোদনা দিলেও সংবাদপত্রশিল্পে দেওয়া হয়নি। প্রণোদনা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের কাছে নোয়াবের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। সংবাদপত্র হকারদের জন্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়রদের কাছে জায়গা চাওয়া হয়েছে। ’

এ কে আজাদ বলেন, ‘সব শিল্পের জন্য করের একটি অবকাঠামো দাঁড় করানো আছে, একটি টার্গেট দেওয়া আছে। কিন্তু আমাদের এই শিল্প একটি রুগ্ণ শিল্প। অথচ আমাদের সার্বিকভাবে ৩৭ শতাংশ কর দিতে হয়। যদিও অন্যান্য শিল্পে ভ্যাটছাড় আছে। বিভিন্ন খাতে ভ্যাটছাড় থাকলেও সংবাদপত্রকে তা দিতে হচ্ছে। এই জায়গায় এফবিসিসিআই আমাদের সমস্যাগুলো নিয়ে যদি সরকারের কাছে দেনদরবার করে, তাহলে আমরা উপকৃত হব। ’ তিনি বলেন, ‘আমরা সংবাদপত্রের নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন করতে পারছি না। অষ্টম বোর্ডই গুটি কয়েক পত্রিকা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। কিন্তু বাকি অনেক পত্রিকা অষ্টম ওয়েজ বোর্ডই বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ’



সাতদিনের সেরা