kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ মাঘ ১৪২৮। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বিইআরসি ‘দন্তহীন বাঘ’

সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আইনের সংশোধন ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলেছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ক্যাব প্রণীত ভোক্তার জ্বালানি অধিকার সংরক্ষণে বিইআরসির ভূমিকা মূল্যায়ন’ প্রতিবেদনের ওপর নাগরিকদের মতবিনিময় সভায় এই অভিমত দেন বিশেষজ্ঞরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ‘দন্তহীন বাঘে’ পরিণত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর ফলে জ্বালানির ওপর জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত হয়েছে। সংস্থাটি কখনো সরকার, কখনো ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে। ক্যাব প্রণীত ভোক্তার জ্বালানি অধিকার সংরক্ষণে বিইআরসি আইন ও বিইআরসির ভূমিকা মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ওপর এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, বাংলাদেশে প্রতিযোগিতামূলক বাজার নেই। সরকার ও প্রাইভেট সেক্টর ভোক্তাদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করে চলেছে। তাহলে ভোক্তা যাবে কোথায়? বিইআরসি আছে কিন্তু তারা গণশুনানি পর্যন্ত করতে চায় না। এলএনজি নিয়ে ২০০৯ সালের গণশুনানি করতে বিইআরসির ২০২১ সাল পর্যন্ত লেগে গেল। কারণ, প্রতিষ্ঠানটির দাঁত নেই। এটি দন্তহীন বাঘে পরিণত হয়েছে।

সম্প্রতি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন। তিনি বলেন, তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসের ভাড়া বাড়তে পারে, ধান উৎপাদন খরচ বেড়ে যেতে পারে, সেটা এই সরকারের আমলারা মনে হয় জানতেন না।

সভায় মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তিনি বলেন, ২০০৩ সালের বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের আইন কোনো কাজে আসছে না।



সাতদিনের সেরা