kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে সমস্যা

আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অর্ধেকে নেমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অর্ধেকে নেমেছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ডের সার্ভারে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এতে আমদানি-রপ্তানির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে অর্ধেকে নেমেছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে সার্ভারের এই সমস্যা চলছে। আজ-কালের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞাপন

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে দুই-তিন দিন আগে একটু সমস্যা হয়েছিল। সেই সার্ভার আপডেটের পর সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়েছে। তবে পুরোপুরি ঠিক হতে আরো কিছুটা সময় লাগতে পারে। ’

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত সার্ভারের নাম ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন মনিটরিং ড্যাশবোর্ড’। বৈদেশিক লেনদেন তদারকির জন্য চারটি অনলাইন রিপোর্টিং মডিউল এই ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়। এগুলো হলো আমদানি, রপ্তানি, অন্তর্মুখী প্রবাসী আয় ও বহির্মুখী প্রবাসী আয়। এই ড্যাশবোর্ডের হার্ডওয়্যারে সমস্যা হওয়ায় কার্যক্রমে গতি হারিয়েছে। ফলে আমদানি-রপ্তানির জন্য যে আবেদন জমা দিতে হয়, তাতে অনেক সময় লাগছে।   

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে করোনার আগে প্রতিদিন গড়ে আমদানি-রপ্তানির সাত হাজার থেকে আট হাজার বিল অব এন্ট্রি দাখিল হতো। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসার পর থেকে আমদানি-রপ্তানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বিল অব এন্ট্রি দাখিলের সংখ্যা দাঁড়ায় আট হাজার থেকে ৯ হাজার ৫০০ পর্যন্ত। তবে বৃহস্পতিবার ব্যাংকের সার্ভার ডাউন হওয়ার পর বিল অব এন্ট্রি পাঁচ হাজারে নেমে এসেছে; যেমন—গত ২৬ নভেম্বর কোনো আমদানি পণ্যের বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয়নি। রপ্তানি পণ্যের বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয় মাত্র চার হাজার ৪৪৬টি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, সার্ভার ডাউন হয়েছে এমনটি নয়। এটাকে বলতে হবে, উৎপাদনশীলতা ধীর হয়ে গেছে। এখন পারফরম্যান্সটা আগের জায়গায় ফেরত আনার কাজ চলছে। তিনি বলেন, ‘আগে প্রতিদিন ৯ হাজার এন্ট্রি হতো। এখন সেটি পাঁচ হাজারে নেমে এসেছে। তাই পারফরম্যান্সটা আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে। তবে একটি সিস্টেম রানিং রেখে কাজ করা কঠিন। এ ছাড়া এখন লেনদেনের প্রেসার অনেক বেশি। রানিং সিস্টেমের কারণে পিক টাইমে কাজ করাও যাচ্ছে না। আমরা তাই রাতে রাতে কাজ করছি। আশা করছি, আজ-কালের মধ্যে সার্ভার ঠিক হয়ে যাবে। ’



সাতদিনের সেরা