kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

মূলধন ঘাটতিতে ১১ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে প্রয়োজনীয় মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে ১১ ব্যাংক। এর মধ্যে সরকারি খাতের সাতটি ও বেসরকারি খাতের চারটি। গত সেপ্টেম্বর শেষে এসব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। এ সময়ে ব্যাংকিং খাতে মূলধন সংরক্ষণের হারও (সিআরএআর) কমেছে। তিন মাস আগে এসব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ছিল ২৫ হাজার ৩৮৫ টাকা। এ হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে মূলধন ঘাটতি বেড়েছে প্রায় দুই হাজার ৫২৫ কোটি টাকা।

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক নীতিমালার আলোকে ব্যাংকগুলোকে মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাসেল-৩ নীতিমালার আলোকে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ অথবা ৪০০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি সে পরিমাণ মূলধন রাখতে হচ্ছে। এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি ব্যাংককে আপৎকালীন সুরক্ষা সঞ্চয় হিসেবে অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ হারে মূলধন রাখার নির্দেশনা রয়েছে। কোনো ব্যাংক এ পরিমাণ অর্থ সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে মূলধন ঘাটতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের জোগান দেওয়া অর্থ ও মুনাফার একটি অংশ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো ব্যাংক মূলধনে ঘাটতি রেখে তার শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর শেষে সরকারি সাত ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ২২১ কোটি টাকা।

আর বেসরকারি চার ব্যাংকের ঘাটতি হয়েছে তিন হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। প্রতিবেদন পর্যালোচনায় আরো দেখা যায়, এ সময়ে ১১ ব্যাংক ঘাটতিতে থাকলেও অনেক ব্যাংক বেশি মূলধন রাখতে সক্ষম হয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যাংক খাতে মূলধন সংরক্ষণের হার (সিআরএআর) দাঁড়িয়েছে ১১.২২ শতাংশ; তিন মাস আগে গত জুন শেষে যা ছিল ১১.৫৭ শতাংশ।



সাতদিনের সেরা