kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

ঢাকায় ট্রাক কমল, উপজেলায় বন্ধ

বিক্রি কমেছে টিসিবির

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিক্রি কমেছে টিসিবির

রাজধানীতে টিসিবির পণ্য বিক্রি

রাজধানী ঢাকায় কমিয়ে আনা হয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ট্রাক সংখ্যা। তা ছাড়া স্বল্প মূল্যের পণ্য বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে। টিসিবির কর্মকর্তারা বলছেন, পণ্যের বরাদ্দ কম হওয়ায় আপাতত উপজেলা পর্যায়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। পণ্যের পরিমাণ বাড়লে আবার চালু করা হবে।

জানা যায়, বর্তমানে টিসিবি তেল, চিনি, ডাল ও পেঁয়াজ—এই চারটি পণ্য বিক্রি করছে। গত সোমবার পর্যন্ত রাজধানীতে ৪৮টিসহ ঢাকার আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে মোট ৮৩টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করত টিসিবি। এ সময় ট্রাক প্রতি এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৬০০ কেজি পণ্য বিক্রি করা হতো। কিন্তু গত মঙ্গলবার থেকে রাজধানীতে প্রতিদিন ৪৫টি রেখে বাকি ট্রাকগুলোতে বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গত বুধবার রাজধানীর প্রেস ক্লাব, মানিকনগর মসজিদ, ডিসি অফিসসংলগ্ন, মিরপুর বেনারসীপল্লীসহ মোট ৩৭টি স্পটে পণ্য বিক্রি করা হয়েছে। প্রতিটি ট্রাকে ৫০০ লিটার সয়াবিন তেল, ৪০০ কেজি মসুর ডাল, ৩০০ কেজি চিনি ও ২০০ কেজি পেঁয়াজসহ মোট এক হাজার ৪০০ কেজি পণ্য বিক্রি করা হয়। টিসিবি আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত পণ্য বরাদ্দ দিয়ে ডিলারদের যে তালিকা দিয়েছে তাতেও উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ নেই।

এ ব্যাপারে টিসিবি ঢাকার আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান হুমায়ুন কবির কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের পণ্যের সরবরাহ কমে গেছে। তাই বরাদ্দ কমানো হয়েছে। অনেক সময় বরাদ্দ কম হলে উপজেলার ডিলাররা খরচ দিয়ে পোষাতে পারেন না। তাই অনেকে বরাদ্দ থাকলেও আসেন না। এ জন্য আপতত উপজেলায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে।’

জানা যায়, প্রতি কেজিতে ডিলারদের কমিশন দেওয়া হয় পাঁচ টাকা করে। এর থেকে ভ্যাট, টিসিবির গুদামের শ্রমিকদের বকশিশ (বাধ্যতামূলক), ট্রাকভাড়া, বিক্রয় প্রতিনিধিদের মজুরি, পণ্যের ঘাটতি, সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়ে যায়।

রাজধানীর বিভিন্ন স্পটে ঘুরে দেখা যায়, স্বল্প মূল্যের পণ্যের চাহিদা আগের মতোই ব্যাপক হারে রয়েছে। অনেকে পণ্যের জন্য ট্রাক আসার আগে থেকেই লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে দেখা যায়, আদাবরের মেসার্স লোপা ট্রেডার্সের ট্রাকে পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ডিলার আবু সাইদ বলেন, ‘পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রেস ক্লাবে তাই তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু বাইরে দীর্ঘ লাইন থাকে। অল্প পণ্য হওয়ায় সবাইকে দিতে পারি না।’



সাতদিনের সেরা