kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

ব্যাংকে খেলাপির সঙ্গে বেড়েছে প্রভিশন ঘাটতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিভিন্ন ছাড়ের পরও ব্যাংক খাতে বেড়েছে খেলাপি ঋণ। ফলে পুরো ব্যাংকিং খাতই প্রভিশন ঘাটতিতে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ১০টি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৫১ কোটি টাকা। এর মধ্যে একটিরই ঘাটতি পাঁচ হাজার ৩১৩ কোটি টাকা। আর পুরো ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ২৯০ কোটি টাকা। যদিও সার্বিক ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতিতে পড়ার নজির খুবই কম দেখা যায়। ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ করে তার বেশির ভাগই আমানতকারীদের অর্থ। আমানতকারীদের অর্থ যেন কোনোভাবে ঝুঁকির মুখে না পড়ে সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নানা বিধি-নিষেধ আরোপ করা আছে। এর একটি হলো প্রভিশন সংরক্ষণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী, ব্যাংকের অশ্রেণীকৃত বা নিয়মিত ঋণের বিপরীতে ০.২৫ থেকে ৫ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হয়। সাব-স্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে রাখতে হয় ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ বা কু-ঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রভিশন ঘাটতি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারে না। এ ছাড়া যেসব ব্যাংক প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়, তাদের মূলধন ঘাটতিতে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ও নিয়মিত ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল ৭২ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। কিন্তু সংরক্ষণ করতে পেরেছে ৬৬ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। ফলে পুরো ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতি হয়েছে ছয় হাজার ২০৪ কোটি টাকা। তিন মাস আগে পুরো ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতি ছিল পাঁচ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা।



সাতদিনের সেরা