kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বাণিজ্যে অগ্রাধিকার বহাল রাখতে ইইউকে অর্থমন্ত্রীর আহবান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাণিজ্যে অগ্রাধিকার বহাল রাখতে ইইউকে অর্থমন্ত্রীর আহবান

আ হ ম মুস্তফা কামাল

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের শ্রেণিতে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার সুবিধাদি অব্যাহত রাখতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইলি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সমন্বিতভাবে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সর্ববৃহৎ গন্তব্য। আর বাংলাদেশ বিনিয়োগের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তারা বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম আস্থাশীল অংশীদারে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের এ সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরো বাড়বে বলে অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইলি বলেন, ‘বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের প্রতি ইইউয়ের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ’ বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আমি বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পলিটিক্যাল, ইকোনমিক, ট্রেড, প্রেস এবং ইনফরমেশন বিভাগের প্রধান হিসেবে থাকাকালে তখনকার বাংলাদেশের তুলনায় বর্তমান বাংলাদেশের উন্নয়ন আমাকে অভিভূত করেছে। ’

এরপর দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো। অর্থনৈতিক অগ্রগতি, কভিডকালের অর্থনীতি এবং পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান, নারীর উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, সমতা অর্জনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশের অগ্রগতির পথে বাংলাদেশকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে জাতিসংঘ বরাবরের মতো সব সময় সহযোগী হিসেবে কাজ করবে বলে অর্থমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের দীর্ঘ কূটনৈতিক সুসম্পর্কের ধারাবাহিকতা উল্লেখ করে মিয়া সেপ্পো বলেন, জাতিসংঘ বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জাতিসংঘ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে চার বছরের কর্মকাল তাঁর জীবনে উজ্জ্বল স্মৃতি হয়ে থাকবে।



সাতদিনের সেরা