kalerkantho

বুধবার । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৮ ডিসেম্বর ২০২১। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

আইএলওর প্রতিবেদন

করোনায় সাড়ে ১২ কোটি চাকরির কর্মঘণ্টা শেষ

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৮ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায় সাড়ে ১২ কোটি চাকরির কর্মঘণ্টা শেষ

করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে ২০২১ সালে ১২ কোটি ৫০ লাখ পূর্ণকালীন চাকরির সমান কর্মঘণ্টা কমেছে। গতকাল বুধবার প্রকাশিত আইএলও মনিটরের অষ্টম সংস্করণে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, করোনা মহামারিতে কর্মঘণ্টা কমার এ হিসাব জুনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের চেয়ে দুই কোটি ৫০ লাখ বেশি। এর কারণ বিশ্ব অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সমভাবে হচ্ছে না।

আইএলওর (আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা) প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে অসম টিকা বিতরণের কারণেই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দুই রকম গতিতে হচ্ছে। উন্নত দেশগুলোর এক রকম এবং দরিদ্র দেশগুলোর আরেক রকম। করোনাপূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে মহামারিতে কর্মঘণ্টা কমেছে ৪.৩ শতাংশ। তবে ধনী দেশগুলোতে লোকসানের এ হার ৩.৬ শতাংশ আর দরিদ্র দেশগুলোতে ৫.৭ শতাংশ।

আঞ্চলিক হিসাবে দেখা যায়, ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ায় অন্য অঞ্চলের তুলনায় কম কমেছে কর্মঘণ্টা। এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলে ২০১৯ সালের চেয়ে ২০২০ ও ২০২১ সালে কর্মঘণ্টা কমেছে ৪.৬ শতাংশ, আফ্রিকায় ৫.৬ শতাংশ, আমেরিকায় ৫.৪ শতাংশ এবং আরব দেশগুলোতে কমেছে ৬.৫ শতাংশ।

আইএলও মনে করে, টিকা বণ্টনে অসমতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে প্রণোদনা প্যাকেজ প্রদানও এ অসমতা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। তাই যদি টিকার বণ্টন ন্যায্য করা হয়, তাহলে নিন্ম আয়ের দেশগুলো এ ব্যবধান চার মাসে কমাতে পারবে। বলা হয়, বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতি ১৪ জনে টিকাপ্রাপ্তিতে শ্রমবাজারে পূর্ণকালীন একটি চাকরি যোগ হবে।

আইএলওর প্রধান গাই রাইডার বলেন, ‘শ্রমবাজারের বর্তমান গতিপথ স্থবির পুনরুদ্ধারের মতো; যেখানে বড় ধরনের নিম্নমুখী ঝুঁকি রয়েছে এবং উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে মারাত্মক ব্যবধান রয়েছে।’ সূত্র: এএফপি।



সাতদিনের সেরা