kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমকে জরুরি সেবায় অন্তর্ভুক্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমকে জরুরি সেবায় অন্তর্ভুক্তের দাবি

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিজিএমইএ নেতারা। ছবি : কালের কণ্ঠ

বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমসংশ্লিষ্ট সেবাকে অত্যাবশ্যকীয় ও জরুরি সেবা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ। একই সঙ্গে বন্দর কাস্টমস পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের ধর্মঘটের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত করার অপচেষ্টা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।

গত শনিবার দুপুরে নগরের খুলশী এলাকার বিজিএমইএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিজিএমইএ নেতারা এ আহ্বান জানান।

বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আশির দশকে চট্টগ্রাম থেকে পোশাকশিল্পের যাত্রা শুরু হয়ে গত এক দশক আগেও জাতীয় রপ্তানি ও প্রবৃদ্ধিতে চট্টগ্রামের পোশাকশিল্পের যে অবদান ছিল তা আজ ক্রমান্বয়ে নিম্নমুখী। চট্টগ্রামে বন্দর ও কাস্টমসে্র বিশেষ সুবিধা থাকার পরেও পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য সেক্টরে কেন বিনিয়োগ বাড়ছে না তা গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে।’

চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানে বাংলাদেশেরই উন্নয়ন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরাজমান প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে সর্বক্ষেত্রে অটোমেশন চালু করে সব কার্যক্রম সহজীকরণ করতে হবে।’

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর ও আনোয়ারা ইকোনমিক জোনে পোশাকশিল্পের কারখানা স্থাপনে স্বল্পমূল্যে ভূমি বরাদ্দ, সহজ ও স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ দেওয়া, চট্টগ্রামে কিছু ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থাপন, চট্টগ্রামে আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, বস্ত্র অধিদপ্তর, ইপিবি, বিনিয়োগ বোর্ড, জয়েন্ট স্টক কম্পানিকে সমস্যা সমাধানে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ক্ষমতায়ন, শাহ আমানত বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত চার হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুই হাজার ৭৩৪টি বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি এক হাজার ৯৬৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক হাজার ৬০০টি আমদানি-রপ্তানি কাজে নিয়োজিত আছে। চট্টগ্রামে ৬৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্ধ ৩৯৮টি, আমদানি-রপ্তানি কাজে নিয়োজিত আছে ১৯০টি। করোনা পরিস্থিতিতে গত মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে ঢাকায় ২৮১টি ও চট্টগ্রামে ৩০টি পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে।

সভায় বিজিএমইএর সহসভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, বিজিএমইএর পরিচালক ও বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম, পরিচালক এম ডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, প্রাক্তন প্রথম সহসভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, এস এম আবু তৈয়ব, নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, মঈনউদ্দিন আহমেদ (মিন্টু) বক্তব্য দেন।



সাতদিনের সেরা