kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রকৃতির খোঁজে ভ্রমণপিপাসুরা

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রকৃতির খোঁজে ভ্রমণপিপাসুরা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে হামহাম জলপ্রপাত। ছবি : মোস্তাফিজুর রহমান

করোনা মহামারির কারণে দেশের অন্যান্য খাতের মতো পর্যটন খাতেও প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘ সময় পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় ভ্রমণপিপাসুরা এ থেকে বিরত ছিল। তবে করোনা পরিস্থিতি যত স্বাভাবিক হচ্ছে, বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ততই পদচারণ বাড়ছে দর্শনার্থীদের।

রাঙামাটি : করোনাকালীন রাঙামাটির পর্যটনেও ব্যাপক ধস নেমে আসে। এখন দৃশ্যত বেশ স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। ধীরে ধীরে ঘর থেকে বের হচ্ছে পর্যটকরা। কভিডজয়ী মানুষ বিনোদন ও বিশ্রামের প্রয়োজনে আসছে পাহাড়েও। শহরের হোটেল-মোটেল-রিসোর্টে পর্যটকের উপস্থিতি বেড়েছে। হ্রদে নৌভ্রমণও বেশ চোখে পড়ছে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় পাহাড়ি ঝরনাগুলোতেই আকর্ষণ খুঁজে ফিরছে পর্যটকরা।

রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া জানান, দীর্ঘদিনের ক্ষতি তো আর মুহূর্তেই স্বাভাবিক হবে না। তবে ধীরে ধীরে সব কিছু স্বাভাবিক হচ্ছে। পর্যটকদের আগমন বাড়ছে। বুকিং বেড়েছে কটেজে। আশা করছি আগামী পর্যটন মৌসুমেই মোটামুটি স্বাভাবিক হয়ে যাবে সব কিছুই।

বান্দরবান : দেড় বছর টানা লকডাউন শেষে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার বান্দরবানে পর্যটকদের ঢেউ লাগার যে সম্ভাবনা দেখেছিল অনেকেই, লকডাউন খুলে যাওয়ার এক মাস পেরোলেও বাড়তি পর্যটক তো দূরের কথা, স্বাভাবিক সময়ের অর্ধেক পর্যটকেরও আগমন ঘটেনি বান্দরবান পার্বত্য জেলায়।

বান্দরবান জেলা হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি অমল কান্তি দাশ জানান, অন্য বছরগুলোতে এ মৌসুমে পর্যটকে ঠাসা থাকলেও এবার পর্যটকের অভাবে ফাঁকা হয়ে আছে আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলো। ফলে পর্যটন ব্যবসা খাত মন্দা কাটিয়ে চাঙ্গা হয়ে উঠতে পারেনি। তবে খুব ভালো নেই দূরের পর্যটনকেন্দ্রগুলোও।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : দিন দিন সাগরকন্যা কুয়াকাটায় পর্যটক আগমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত সব ব্যবসায়ীর বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। পরে শর্ত সাপেক্ষে কুয়াকাটা পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করায় প্রতিদিনই পর্যটক আসছে।

কুয়াকাটার ‘ইলিশ পার্ক অ্যান্ড রির্সোটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নানা সংকট আর প্রাকৃতিক হিংস্রতায় বিধ্বস্ত-বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুয়াকাটার নয়নাভিরাম সৈকতটি। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধকতায় মুখ থুবড়ে আছে কুয়াকাটার উন্নয়ন প্রকল্পগুলো।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভাণ্ডার কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল নামবে পায়রা সেতু ও পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচনের মাধ্যমে।’



সাতদিনের সেরা