kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

১১ কোটি এডি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

চার হাজার ৪৬৬ কোটি টাকার ১২ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১১ কোটি এডি সিরিঞ্জ কিনছে সরকার

জরুরি ভিত্তিতে ১১ কোটি অটো ডিস-এবল (এডি) সিরিঞ্জ কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৬৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। গতকাল বুধবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এর অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভা কমিটিতে চার হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আরেফিন।

এডি সিরিঞ্জ কেনার ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ১৩ কোটি ৮২ লাখ লোককে ২৭ কোটি ৬৪ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দিতে হবে। সে জন্য ২৭ কোটি ৬৪ লাখ সিরিঞ্জ প্রয়োজন। সেই চাহিদার আংশিক ১১ কোটি এডি সিরিঞ্জ জরুরি ভিত্তিতে কিনতে হবে।’

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে পিপিএ, ২০০৬-এর ধারা ৬৮(১) এবং পিপিআর, ২০০৮-এর বিধি ৭৬(২) অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রস্তাবিত ১১ কোটি এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক এডি সিরিঞ্জ মেসার্স জেএমআই সিরিঞ্জেস অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইসেস লিমিটেড থেকে কেনা হবে। প্রতি সিরিঞ্জের দাম হবে ৬.০২ টাকা। ১১ কোটি এডি সিরিঞ্জ কিনতে ব্যয় হবে ৬৬ কোটি ২২ লাখ টাকা।’

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সভায় ২০২১ সালে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৮০ হাজার মেট্রিক টন (১০%+) ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হবে। বর্তমানে এলএনজি আমদানি বন্ধ থাকায় তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো অধিক সময় চালু রাখার প্রয়োজনে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরো অতিরিক্ত ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল জরুরি বিবেচনায় জি-টু-জি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটেশন আহ্বানের মাধ্যমে আমদানি করা হবে।’

সভায় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে চতুর্থ লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন ৪২৭.৫০ ইউএস ডলার হিসেবে সর্বমোট এক কোটি ২৮ লাখ ২৫ হাজার ডলার ব্যয় হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১০৯ কোটি ৩৩ লাখ ৩১ হাজার ২৫০ টাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২২ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন), অষ্টম ও নবম শ্রেণি, এসএসসি ভোকেশনাল, ইবতেদায়ি (তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি), দাখিল (অষ্টম ও নবম শ্রেণি) এবং দাখিল ভোকেশনাল স্তরের ১০ লাখ ৮৬ হাজার ২৪৮ কপি বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কাজটি পেয়েছে সিডনা প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস (দুটি লট) এবং মৌসুমী অফসেট প্রেস (একটি লট)। এতে ব্যয় হবে এক কোটি ৮১ লাখ ৯৩ হাজার ৩২৩ টাকা। প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকের গড় দাম ১৬.৭৪ টাকা।’



সাতদিনের সেরা