kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলে ৩১০ কোটি টাকা জমা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলে ৩১০ কোটি টাকা জমা

গত শনিবার পর্যন্ত বিএসইসিতে ২১০ কোটি টাকার নগদ অবণ্টিত লভ্যাংশ জমা হয়েছে

পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিলের (সিএমএসএফ) জন্য ৩১০ কোটি টাকা জমা হয়েছে। এর মধ্যে ১০০ কোটি টাকা নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে এসেছে। শিগগিরই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তা ফান্ডের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাবে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কম্পানির কাছে শেয়ারহোল্ডারদের অবণ্টিত লভ্যাংশ তিন বছর বা এর অধিক সময় ধরে পড়ে আছে, তা ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে জমার নির্দেশ দিয়েছিল বিএসইসি।

বিএসইসি সূত্র জানায়, গত শনিবার পর্যন্ত বিএসইসিতে ২১০ কোটি টাকার নগদ অবণ্টিত লভ্যাংশ জমা হয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে আরো প্রায় ১০০ কোটি টাকার চেক ও ব্যাংক ড্রাফট জমা হয়েছে। অর্থাৎ নগদ ও বোনাস শেয়ার মিলে মোট ৩১০ কোটি টাকা জমা হয়েছে।

পুঁজিবাজার স্থিতিশীলকরণ তহবিলে তালিকাভুক্ত ৭১টি কম্পানি, ১৪টি মিউচুয়াল ফান্ড এবং একটি সম্পদ ব্যবস্থাপক কম্পানি তার ব্যবস্থাপনাধীন বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ডের অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসাবে মোট ২১০ কোটি টাকা জমা করেছে। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪৮ কোটি টাকা জমা দিয়েছে ১৩টি ব্যাংক এবং ছয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

এ ছাড়া কম্পানি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ২৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা জমা দিয়েছে ওষুধ খাতের কম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। এরপর সর্বোচ্চ ১৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা জমা দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। বহুজাতিক কম্পানি গ্রামীণফোন জমা দিয়েছে ১১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ জমা দেওয়া টাকা।

ব্যাংক খাতের কম্পানি ইসলামী ব্যাংক ফান্ডে জমা দিয়েছে ৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা, বেক্সিমকো ফার্মা ছয় কোটি ৪৩ লাখ টাকা, ইস্টার্ন ব্যাংক সোয়া ছয় কোটি টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পাঁচ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, ইউসিবি পাঁচ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, স্কয়ার টেক্সটাইল চার কোটি ৫৭ লাখ টাকা, এসিআই লিমিটেড চার কোটি ২০ লাখ টাকা ও লাফার্জ-হোলসিম চার কোটি ১৯ লাখ টাকা এ তহবিলে জমা দিয়েছে। এর বাইরে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কম্পানি ২০ কোটি ৪২ লাখ টাকা জমা দিয়েছে। তবে এই তহবিলে জমার পরিমাণ প্রত্যাশার চেয়ে কম। কম্পানিগুলোকে এই টাকা গত ৩০ আগস্টের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছিল; কিন্তু সেই সময়সীমা পার হওয়ার ২০ দিন পরও প্রত্যাশা অনুসারে টাকা জমা পড়েনি। বিএসইসির ধারণা ছিল, এই টাকার পরিমাণ হবে ২০-২১ হাজার কোটি টাকা।



সাতদিনের সেরা