kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ই-সিগারেট বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে

বাণিজ্য ডেস্ক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘ই-সিগারেট নামক একটি ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্টের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে, যেটা আশঙ্কাজনক। প্রচলিত সিগারেটের মতোই ই-সিগারেটও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই ক্ষতিকর পণ্যটি নিয়ন্ত্রণে আইনে সরাসরি কিছু বলা নেই বিধায় এটি নিয়ে কাজ করার অবকাশ রয়েছে। ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করার বিষয়ে যে সুপারিশ আছে তা আমরা বিবেচনায় রাখব।’ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া ঢাকা শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত ই-সিগারেট ব্যবহারবিষয়ক গবেষণার ফলাফল অবহিতকরণ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা যৌথভাবে আয়োজন করে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। সভার সহযোগিতায় ছিল ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস (সিটিএফকে)। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য) কাজী জেবুন্নেছা বেগম। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন—তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একটি খসড়া রোডম্যাপ করা হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই চূড়ান্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য) কাজী জেবুন্নেছা বেগম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দেশকে ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত করতে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে যুগোপযোগী করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে আইন সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে। এতে ই-সিগারেট বন্ধ করার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে।’

জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী (অতিরিক্ত সচিব) হোসেন আলী খোন্দকার বলেন, ‘বাংলাদেশে ই-সিগারেট বা এ ধরনের পণ্য নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট আইন নেই। সে জন্য ই-সিগারেট নিষিদ্ধের বিষয়টি আইনের আওতায় আনতে হবে।’



সাতদিনের সেরা