kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

উপজেলাভিত্তিক ডাকঘরগুলোতে টাকার সংকট

মেয়াদ শেষেও সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ভোগান্তি

সঞ্চয়পত্রের টাকা পরিশোধ করতে ১৫-১৬ কোটি টাকা প্রয়োজন

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেয়াদ শেষেও সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ভোগান্তি

শাহজাদপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সঞ্চয়পত্রের সুবিধাভোগীরা। অনেক দিন ধরে এ অবস্থা বিরাজ করায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার শাহজাদপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে কথা হয় উপজেলার কাকুরিয়া গ্রামের নির্মল চন্দ্র দাসের স্ত্রী স্বপ্না রানী দাসের সঙ্গে। তিনি জানান, শাহজাদপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে পাঁচ লাখ টাকার তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তাঁর একখানা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ গত জুলাই মাসে (ম্যাচিউর) শেষ হয়েছে। এরপর তিনি এক মাস ধরে ঘুরছেন। প্রতিদিন তাঁকে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। একইভাবে আরো অনেক সঞ্চয়পত্রের গ্রাহককে পোস্ট অফিসে এসে সঞ্চয়পত্রের টাকা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। আর যাঁরা মুনাফার জন্য ডাকঘরে ভিড় করছেন, তাঁদের মধ্যে দু-চারজন টাকা পেলেও বড় বড় আমানতকারীকে শূন্য হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে।

শাহজাদপুর উপজেলা পোস্টমাস্টার মো. আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি স্বীকার করে জানান, ডাক বিভাগ নতুন করে সঞ্চয়পত্র বিক্রি না করায় উপজেলাভিত্তিক ডাকঘরগুলোতে এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডাক বিভাগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পেনশন সঞ্চয়পত্র ও মেয়াদি পাস বইয়ের মুনাফার টাকা সুবিধাভোগীদের যথাসময়ে পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। মুনাফার টাকা পরিশোধের জন্য প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। এ ছাড়া যেসব সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে, সেই টাকা পরিশোধ করতেও ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকা প্রয়োজন।

শাহজাদপুর ডাকঘরের পোস্টমাস্টার আরো জানান, ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পারিবারিক ও পেনশন সঞ্চয়পত্র বিক্রি করায় ডাক বিভাগ টাকার সংকটে পড়েছে।

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলার প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার আব্দুল লতিফের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সব পোস্ট অফিসেই এ ধরনের সংকট বিরাজ করছে। আমরা চেষ্ট করছি সংকট উত্তরণের জন্য।’



সাতদিনের সেরা