kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ কার্তিক ১৪২৮। ২৬ অক্টোবর ২০২১। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

স্মল বিজ

আখাউড়ার মাছ যাচ্ছে ভারতে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় গেল বছর উৎপাদিত মাছের পরিমাণ ছিল চার হাজার ৭২০ মেট্রিক টন। এসব মাছ এলাকার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানি হয়েছে ভারতেও। একই সঙ্গে আশপাশের একাধিক এলাকায়ও যাচ্ছে আখাউড়ার মাছ। সংশ্লিষ্টরা জানান, আখাউড়ায় দিনকে দিন মাছের উৎপাদন বেড়ে চলেছে। এলাকার চাহিদার তিন হাজার ৫৭৫ মেট্রিক টন পূরণ করে গত অর্থবছরে উদ্বৃত্ত থাকে এক হাজার ১৪৫ মেট্রিক টন মাছ। উৎপাদন বাড়াতে উপজেলা মৎস্য কার্যালয় নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পরিত্যক্ত ভূমি কাজে লাগালে ও জলাশয়ের সঠিক ব্যবহার করলে উৎপাদন আরো বাড়বে বলেও আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ছোট-বড় পুকুরসহ দুই হাজার ৮৭টি মাছের প্রজেক্ট রয়েছে। বিল রয়েছে ১৩টি, নদী তিনটি, খাল তিনটি ও প্লাবন ভূমি রয়েছে আটটি। উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা এক হাজার ৪৩০ ও মৎস্য চাষি দুই হাজার ১০৭ জন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে কয়েক বছর ধরে ভারতে মাছ রপ্তানি করে ১৫০ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে। অন্যান্য এলাকার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মাছ রপ্তানি করে এ আয় হয়।  স্থানীয় মৎস্য চাষিরা মনে করেন, উন্নত প্রযুক্তি আর উৎপাদিত মাছের সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় তাঁদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। সংরক্ষণব্যবস্থা থাকলে মাছ চাষে আয় বেড়ে দ্বিগুণ হবে। পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও আয় বেড়ে যাবে। এতে চাষিরা আরো বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘আখাউড়ায় মাছ চাষের যথেষ্ট অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এখানকার বেশির ভাগ জলাশয়ের পানির অবস্থাও ভালো। আমাদের কার্যালয় থেকে চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।’ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কণা দাস বলেন, ‘মাছ চাষে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন পরিধি বাড়ছে।’



সাতদিনের সেরা