kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

বঙ্গবন্ধু টানেলের টোল আদায়

চীনা কম্পানিকে অপারেটর নিয়োগের প্রস্তাব ফেরত

প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘কিছু ব্যত্যয় ও মিসিং লিংক আছে। এগুলো প্রতিপালন করে এলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চীনা কম্পানিকে অপারেটর নিয়োগের প্রস্তাব ফেরত

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে নির্মিতব্য দীর্ঘ সাড়ে তিন কিলোমিটার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’-এর রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ের কাজে চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কম্পানিকে (সিসিসিসি) সার্ভিস অপারেটর হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব অধিক যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ফেরত পাঠিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রস্তাবটিতে নীতিগত অনুমোদনের উত্থাপন করা হলে কমিটি এটি ফেরত পাঠায়।

গতকাল মঙ্গলবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শামসুল আরেফিন।

প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু ব্যত্যয় ও মিসিং লিংক আছে। এগুলো প্রতিপালন করে এলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অর্থনৈতিকসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য তিনটি এবং ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।’

বৈঠকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব কনভেনশন সেন্টারে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট কভিড ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে দ্রুততম সময়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট কভিড ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের পূর্তকাজ এবং চিকিৎসা যন্ত্রপাতি রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে পিপিএ ২০০৬-এর ধারা ৬৮(১) এবং পিপিআর, ২০০৮-এর বিধি ৭৬(২) অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ক্রয়ের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল নির্মাণ খরচ ১০ কোটি ২৮ লাখ ২২ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা চাই না এই মহামারি আমাদের মাঝে আর ফিরে আসুক। তবে আমাদের যদি প্রয়োজন হয় তবে আরো ফিল্ড হাসপাতাল হবে। আমাদের সার্ভিস ডেলিভারি দিতে হবে। এটা সরকারের প্রথম প্রায়োরিটি। মহামারির মধ্যে এটা ভালোই হবে। আল্লাহ না করুন রোগীর পরিমাণ যদি বেড়ে যায় তাহলে এই হাসপাতাল ভালো সার্ভিস দেবে। আমরা চাই মহামারি শেষ হয়ে যাক।’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শামসুল আরেফিন জানান, মোট ১০ কোটি ২৮ লাখ টাকার মধ্যে তিন কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই ভবনের মেরামত ও সংস্কার কাজ করা হবে। বাকি টাকা ব্যয় করা হবে হাসপাতালের সামগ্রী কিনতে।

ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবে অর্থের পরিমাণ ৩৩ কোটি ৯৫ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৫ টাকা। এতে সম্পূর্ণ অর্থই জিওবি থেকে ব্যয় হবে।



সাতদিনের সেরা