kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

সম্মাননা প্রদান করেছে এনবিআর

সেরা করদাতা ৩৩ প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেরা করদাতা ৩৩ প্রতিষ্ঠান

সেরা করদাতা হিসেবে গভর্নর ফজলে কবিরের কাছ থেকে গতকাল সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান। ছবি : লুৎফর রহমান

২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ কর প্রদানের জন্য সেরা করদাতা হিসেবে ৩৩ প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)। ছয়টি ক্যাটাগরিতে এসব প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করেছে এনবিআর।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এনবিআর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। তাঁরা সেরা করদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) কর কমিশনার মো. ইকবাল হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন এলটিইউ অতিরিক্ত কর কমিশনার আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সদস্য (করনীতি) মো. আলমগীর হোসেন ও সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোহাম্মদ গোলাম নবী।

ফজলে কবির বলেন, ‘এ দেশে করদাতা বাড়ানোর সুযোগ আছে। কর ফাঁকিবাজ থাকলেও নিয়মিত কর প্রদানকারীর সংখ্যা বাড়ছে। করোনায় আর্থিক বিপর্যয়ের মধ্যেও যাঁরা কর পরিশোধ করেছেন, তাঁদের আমি সাধুবাদ জানাই। করদাতার সংখ্যা বাড়াতে এনবিআরকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। কর জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে। আমাদের দেশে এ অনুপাত এখনো প্রতিবেশী অনেক দেশের তুলনায় কম।’

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘কর পরিশোধে স্বচ্ছতা এবং স্পষ্টতা আনতে হবে। তাহলে করদাতা এবং এনবিআরের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে। কর প্রদান হলো সরকারের কাছ থেকে সেবা নেওয়ার সার্ভিস চার্জ। যত কর দেবেন সেবা তত বাড়বে।’ 

সেরা করদাতার সম্মাননা পাওয়ায় অনুভূতি প্রকাশ করে বত্তৃদ্ধতায় গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, ‘করোনা শুরু হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ বেড়েছে। গত দেড় বছরে যখনই এনবিআরের সঙ্গে সমস্যা নিয়ে বৈঠকে বসেছি, এনবিআর আন্তরিকতার সঙ্গে সমস্যা শুনেছে এবং সমাধান করেছে। এনবিআরের সক্ষমতা বেড়েছে। আশা করি ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’ 

ক্যাটাগরি অনুযায়ী সেরা করদাতা

ব্যাংকিং খাত : স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, দি হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, দি প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড ও প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড।

সেবা ও অন্যান্য খাত : গ্রামীণফোন লিমিটেড, শেভরন বাংলাদেশ ব্লকস থার্টিন অ্যান্ড ফর্টিন লিমিটেড এবং এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড।

নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাত : আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি লিমিটেড।

বীমা খাত: আমেরিকান লাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেড ও সাধারণ বীমা করপোরেশন।

ম্যানুফ্যাকচারিং খাত : ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, শেখ আকিজ উদ্দিন লিমিটেড, উত্তরা মোটরস লিমিটেড, উত্তরা অটোমোবাইলস লিমিটেড, পারফেক্ট টোব্যাকো কম্পানি লিমিটেড, নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও অলিম্পিক লিমিটেড।

উৎস কর প্রদান : বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড ও তিতাস গ্যাস কম্পানি লিমিটেড।



সাতদিনের সেরা