kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

এসএমই খাতের ঋণ প্রদানে কাঠামোগত সংস্কারের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এসএমই খাতের ঋণ প্রদানে কাঠামোগত সংস্কারের পরামর্শ

কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি (সিএমএসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় আনতে ঋণ কাঠামোর আমূল সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশন। তবে প্রণোদনা পেতে প্রতিবন্ধকতার পরও নিজস্ব তহবিল থেকে এরই মধ্যে দেশের ৪০টি জেলায় দুই হাজার ১৮৬ জন এসএমই উদ্যোক্তাকে ১২২ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা ৫২৪ জন।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘এসএমই প্রণোদনা প্যাকেজ হতে ঋণ প্রাপ্তির পদ্ধতি’ শীর্ষক ভার্চুয়াল মতবিনিময়সভায় এসব কথা জানান আলোচকরা।

তাঁরা বলেন, করোনার প্রভাবে এ খাতের উদ্যোক্তাদের আগের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি না হওয়া, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করতে পারা, ব্যাংক থেকে নেওয়া আগের ঋণ পরিশোধ করতে না পারা এবং ঋণের জন্য আবেদন করতে প্রয়োজনীয় হালনাগাদ নথি ও প্রয়োজনীয় খরচ না থাকায় তাঁরা প্রণোদনার অর্থের জন্য আবেদনই করতে পারছেন না।

অনুষ্ঠানে এসএমই ফাউন্ডেশনের সহকারী মহাব্যবস্থাপক সুমন চন্দ্র সাহা মূল প্রবন্ধে বলেন, ‘অর্থ বিভাগ ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য এ খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা চালু, ব্যবসা পরিচালনার জন্য চলতি মূলধন (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) ঋণ, মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে ৪ শতাংশ হারে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, মোট ঋণের ন্যূনতম ৭০ শতাংশ উৎপাদন ও সেবা খাতের উদ্যোক্তাদের অনুকূলে বিতরণ করা হবে।   

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার প্রয়োজন।’ এ ছাড়া এলডিসি-পরবর্তী সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, দেশে ব্যবসা পরিচালন সূচকে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ আকর্ষণে বিদ্যমান কর এবং শুল্ক কাঠামোর পরিবর্তনের আহ্বান জানান তিনি।

মতবিনিময়সভায় স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ‘শিল্প খাতে ৮০ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে ৪৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন করে সিএমএসএমই খাত, তবে প্রয়োজনীয় আর্থিক এবং নীতিগত সহায়তার অভাবে সিএমএসএমই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘সিএমএসএমই খাতের সুনির্দিষ্ট কোনো ডাটাবেইস না থাকায় এ খাতের সঠিক অবস্থা জানা সম্ভব হচ্ছে না।’



সাতদিনের সেরা