kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

এ মাসেই শেষ হচ্ছে চুক্তির মেয়াদ

সংকটের মুখে এমজিএমসিএল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংকটের মুখে এমজিএমসিএল

সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে দেশের একমাত্র পাথরখনি মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কম্পানি লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) কার্যক্রম। এতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধের শঙ্কা আছে। ফলে বিপাকে পড়বে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র, পায়রা, মাতারবাড়ী, শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালসহ দেশের মেগা প্রকল্পগুলো। কারণ এখান থেকে প্রকল্পগুলোর পাথর জোগান দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে খনি বন্ধ হলে বেকার হবেন সাত শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। একই কারণে বন্ধ হয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিও।

গত ১০ আগস্ট খনিটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চীনা সিএমসি-এক্সএমসি কনসোর্টিয়াম চলে গেছে। এখানেও বেকার হয়ে পড়েছেন দুই-তৃতীয়াংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী। মেয়াদ শেষ হলেও মধ্যপাড়া পাথরখনির ঠিকাদার নিয়োগে কোনো সিদ্ধান্ত হচ্ছে না। বর্তমানে এই খনি থেকে পাথর উত্তোলন করছে বেলারুশের কম্পানি জার্মানি স্ট্রেস কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)। আগামী ২ সেপ্টেম্বর তাদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, চুক্তি নিয়ে কাজ চলছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এটি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। কাজ যাতে বন্ধ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। খনিটির ঠিকাদার নিয়োগে সাত দফা দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে; কিন্তু করোনার কারণে বিদেশিদের সাড়া মেলেনি। এ অবস্থায় আগামী ২ সেপ্টেম্বরের আগেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অভিযোগ উঠেছে, এই পাথরখনি নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। একটি পক্ষ চাই, খনি তৃতীয় কারো কাছে তুলে দিতে। এ কারণেই টানা তিন মেয়াদে লাভজনক খনি থেকে পাথর উত্তোলনের ঠিকাদার নিয়োগ দিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। এতে বর্তমান কম্পানিটি মেয়াদ শেষে চলে যাবে। এরপর খনি বাঁচানো কিংবা আইনের দোহাই দিয়ে তড়িঘড়ি অন্য কোনো কম্পানির হাতে খনি তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

জানা গেছে, টানা তিন মেয়াদে বেলারুশ কম্পানিটি প্রায় ৫০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এ কারণে জিটিসির মেয়াদকাল আরো এক দফা বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।



সাতদিনের সেরা