kalerkantho

বুধবার । ১১ কার্তিক ১৪২৮। ২৭ অক্টোবর ২০২১। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

খেলাপি ঋণের প্রভাব প্রভিশন ঘাটতিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খেলাপি ঋণের প্রভাব প্রভিশন ঘাটতিতে

ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে প্রভিশন সংরক্ষণে। কয়েকটি ব্যাংকের কারণে পুরো ব্যাংকিং খাতই প্রভিশন ঘাটতিতে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত জুন শেষে ১১টি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। আর পুরো ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতি হয়েছে পাঁচ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা। তবে ওই ১১টি ব্যাংকের মধ্যে একটিরই ঘাটতি পাঁচ হাজার ৩৫১ কোটি টাকা। এ সময়ে কিছু ব্যাংকের প্রভিশন উদ্বৃত্ত থাকায় পুরো ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতি কম দেখাচ্ছে। যদিও সার্বিক ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতিতে পড়ার নজির খুবই কম দেখা যায়। তবে এবার বেশির ভাগ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে গিয়ে উদ্বৃত্ত শূন্যের কোঠায় নেমে যায়। এই কারণে সার্বিক ব্যাংকিং খাতে প্রভিশন ঘাটতিতে পড়তে হয়েছে।

ব্যাংকগুলো প্রাহকদের যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ করে এর বেশির ভাগই আমানতকারীদের অর্থ। আমানতকারীদের অর্থ যেন কোনো ধরনের ঝুঁকির মুখে না পড়ে, সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নানা বিধি-নিষেধ আরোপ করা আছে। এর একটি হলো প্রভিশন সংরক্ষণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের অশ্রেণীকৃত বা নিয়মিত ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ থেকে ৫ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্নমান বা সাবস্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে রাখতে হয় ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ বা কুঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রভিশন ঘাটতি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারে না। এতে ওই ব্যাংকের শেয়ারে নিরুত্সাহী হয় বিনিয়োগকারীরা। এ ছাড়া যেসব ব্যাংক প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়, তাদের মূলধন ঘাটতিতে পড়ার আশঙ্কা থাকে।