kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

জুলাইয়ে ১৮৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জুলাইয়ে ১৮৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এটি গত চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। আর গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে কম প্রায় ৩৯ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জুলাইয়ে কোরবানির ঈদের আগের কয়েক দিন বেশ রেমিট্যান্স এলেও পরের কয়েক দিনে আবার বেশ কমেছে। এ কারণে জুলাইয়ে সার্বিকভাবে রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। করোনার মধ্যেও সামনের মাসগুলোতে তা আগের মতোই বাড়বে বলেও জানান তাঁরা।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরেও এই সুিবধা বহাল রাখা হয়েছে। রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়ার পর থেকে প্রতি মাসেই প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও তাঁদের অর্থ পাঠানো বেড়েছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের শেষ মাস জুনেও প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠান। এ মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ১৯৪ কোটি ডলার। এটি তার আগের অর্থবছরের একই মাসের চেয়ে ১১ কোটি ডলার বেশি ছিল। ঈদের মাস মে মাসেও দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা। ওই মাসে ২১৭ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসে। যা একক মাস হিসেবে এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার আগের মাস এপ্রিলেও রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে দেশে। ওই মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ২০৬ কোটি ৭১ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরো দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেকর্ড ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে, যা একক মাস হিসেবে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। এ ছাড়া আগস্টে ১৯৬ কোটি ৩৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২১০ কোটি ২১ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ২০৫ কোটি ছয় লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৭৮ কোটি ডলার ও মার্চে ১৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। 

এদিকে রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। গত ২৯ জুন প্রথথমবার রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন ডলারের নতুন মাইলফলক অতিক্রম করে।



সাতদিনের সেরা