kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

কৃষি ও পল্লীঋণের নীতিমালা ঘোষণা

কৃষকরা পাবেন ২৮ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালায় প্রাণিসম্পদ খাতের আওতায় সোনালি মুরগি, মহিষ ও গাড়ল পালনে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইটে কৃষি ও পল্লীঋণের নতুন এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এবার কৃষি ও পল্লীঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৮ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৭.৯৮ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া কৃষিঋণের সুদের হার ১ শতাংশ কমিয়ে ৮ শতাংশ করা হয়েছে। 

নীতিমালায় বলা হয়, করোনা মহামারির কারণে সৃষ্ট আর্থিক সংকট মোকাবেলায় এবং সরকারের কৃষি ও কৃষকবান্ধব নীতির সঙ্গে সংগতি রেখে দেশের টেকসই উন্নয়নের নির্ধারিত লক্ষ্যের প্রথম ও প্রধান তিনটি লক্ষ্য তথা দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুধা মুক্তি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের উদ্দেশ্যে পল্লী অঞ্চলে পর্যাপ্ত কৃষিঋণ প্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এবারের কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। 

নীতিমালা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর জন্য ১১ হাজার ৪৫  কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য ১৭ হাজার ৩৪৬ কোটি  টাকা কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলে জনসাধারণের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে উদ্ভূত সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং কৃষকদের কাছে কৃষিঋণ সহজলভ্য করতে নতুন নীতিমালায় বেশ কিছু বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। 

এর মধ্যে রয়েছে প্রাণিসম্পদ খাতের পোল্ট্রি উপখাতের আওতায় সোনালি মুরগি পালনের জন্য ঋণ প্রদান এবং পশুসম্পদ উপখাতের আওতায় মহিষ ও গাড়ল পালনের জন্য ঋণ প্রদান। ফসলভিত্তিক ঋণ নিয়মাচারে একরপ্রতি ঋণসীমা কৃষকদের প্রকৃত চাহিদা ও বাস্তবতার নিরিখে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া মৎস্য চাষের ঋণ নিয়মাচারে একরপ্রতি ঋণসীমাও বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের তদারকি অধিকতর জোরদারকরণের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।