kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

গার্মেন্ট কারখানা খুলতে চাপ দিচ্ছে বায়িং হাউস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গার্মেন্ট কারখানা খুলতে চাপ দিচ্ছে বায়িং হাউস

গার্মেন্ট কারখানা খুলতে মালিকদের চাপ দিচ্ছে বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন। অবস্থা বিবেচনায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ে কারখানা খুলে দিতে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন। গত মঙ্গলবার সংগঠনটির সভাপতি কাজী ইফতেখার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, মহামারি মোকাবেলা করে ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলো পোশাকের বাজার এরই মধ্যে খুলতে শুরু করেছে। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের কার্যাদেশও বাড়ছে। কার্যাদেশ অনুযায়ী, সময়মতো উত্পাদন ও প্রেরণ নিশ্চিত করতে না পারলে বাংলাদেশ সম্পর্কে বৈশ্বিক বায়ারদের নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।

এদিকে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘লকডাউনের কারণে ঈদের পর থেকে পোশাকশিল্পের উত্পাদন বন্ধ। বায়ারদের নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত। পুরনো ক্রয়াদেশ নিয়ে তাঁদের সঙ্গে সমঝোতা হচ্ছে। আমরা ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোকে বিধি-নিষেধের বাইরে রাখার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছি।’

তিনি আরো বলেন, বায়াররা হয়তো দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন, কিন্তু ক্রয়াদেশ বাতিল করলে তাঁরা অন্য দেশে অর্ডার দেবেন, যেখানে চলমান লকডাউনেও উত্পাদন আছে। ফলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে দেশ। রেমিট্যান্স হারানোর শঙ্কা দেখা দেবে।

বিজিএমইএ সভাপতি বরাবর চিঠিতে অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, ‘সম্প্রতি করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতির কারণে পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু মহামারি মোকাবেলা করে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর পোশাকের বাজার এরই মধ্যে খুলতে শুরু করেছে। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের কার্যাদেশও বাড়ছে। এ কার্যাদেশ সময়মতো গার্মেন্টে উত্পাদন ও প্রেরণ নিশ্চিত করতে না পারলে বাংলাদেশ সম্পর্কে বৈশ্বিক বায়ারদের নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হবে।’

চিঠিতে আরো বলা হয়, ‘এরই মধ্যে আমাদের বায়াররা এসব বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছেন। এ ছাড়া তৈরি পোশাক শ্রমিকদের কর্মস্থলে আনা, তাঁদের দ্রুত টিকাদান এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার কার্যপরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। মহামারিকালে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে কারখানা খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা দরকার। যাতে কর্মীদের টিকাদান ও বেতন-ভাতা যথাসময়ে দেওয়া সম্ভব হয়। এমতাবস্থায় বৈশ্বিক বায়ারদের তৈরি পোশাকের কার্যাদেশ কমপ্লায়েন্স এবং গার্মেন্ট শ্রমিকদের টিকাদান ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে দ্রুত কারখানা খুলে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’



সাতদিনের সেরা