kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

বিআইসিএমের সেমিনারে বক্তারা

স্বাধীন থাকতে শেয়ারবাজারে অনীহা বহুজাতিক কম্পানির

বাণিজ্য ডেস্ক   

২৮ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বাধীন থাকতে শেয়ারবাজারে অনীহা বহুজাতিক কম্পানির

সেমিনারে উপস্থিত অতিথিরা

বর্তমানে শেয়ারবাজারে বহুজাতিক কম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তিতে অনীহার বড় কারণ রেগুলেটরি ব্যাপারে না জড়িয়ে অপেক্ষাকৃত স্বাধীন থাকার মনোভাব। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে কর কমানো ও অন্যান্য সুবিধা দিতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সেমিনার বা ওয়ার্কশপ আয়োজন এবং আইনগতভাবে উৎসাহিত করা যেতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইসিএমের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দিন। ইনস্টিটিউটের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম এবং বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. রিয়াদ মতিন। তিনি বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) মহাসচিব। বিআইসিএমের ডিরেক্টর (স্টাডিজ) ওয়াজিদ হাসান শাহ সেমিনারে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন।

সেমিনারে উপস্থাপিত গবেষণায় বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের গভীরতা বৃদ্ধিতে বহুজাতিক কম্পানিগুলোর সম্ভাব্য ভূমিকার বিষয়ে করণীয় বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রায় সব বড় বহুজাতিক কম্পানিকে বিবেচনায় নিয়ে দেখা যাচ্ছে যে ২০১০ সালের পর রবি ব্যতীত আর কোনো বহুজাতিক কম্পানি তালিকাভুক্ত হয়নি এবং অনেক বহুজাতিক কম্পানি জনগণের কাছে সামান্য পরিমাণে শেয়ার ছেড়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, কমপক্ষে ১১টি বহুজাতিক ব্যাংক এবং ১১টি বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান সফলভাবে বাংলাদেশে ব্যবসা করেছে, যারা কমপক্ষে একটি দেশে তালিকাভুক্ত, কিন্তু বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত নয়। গবেষণায় শেয়ারবাজারের গভীরতা বাড়াতে করের হার হ্রাস করা, কমানো করের পুনর্বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, সুশাসন নিশ্চিত করা, দেশে নতুন আসা বহুজাতিক কম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্তির শর্ত দেওয়া এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সুপারিশ করা হয়।



সাতদিনের সেরা