kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বেনাপোলে স্থলপথের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রেলে পণ্য আমদানি

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

২৭ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেনাপোলে স্থলপথের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রেলে পণ্য আমদানি

রেল থেকে মাল আনলোড করা হচ্ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলপথের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রেলপথে ভারত থেকে পণ্য আমদানি। ২০২০-২১ অর্থবছরে বেনাপোল রেলপথে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে পাঁচ লাখ ৪০ হাজার ৬৫৯ মেট্রিক টন। এ সময়ে রেলের ভাড়া বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৪০ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩০ টাকা। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই পথে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে এক লাখ ৮৪ হাজার ৭৩.৯ মেট্রিক টন, যা থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছিল আট কোটি ৮৮ লাখ ২৬ হাজার টাকা।

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান আমদানি ও রাজস্ব আহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,  ‘বন্দরের রেল ইয়ার্ড না থাকায় পণ্য রাখতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এরই মধ্যে বন্দরে দুটি রেল ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। চলছে বেনাপোল থেকে পেট্রাপোল পর্যন্ত ব্রডগেজ লাইনের সম্প্রসারণ কাজ। কাজ শেষ হলে এ পথে বাণিজ্য আরো বাড়বে।’

সর্বশেষ ২৪ জুলাই ১০টি কনটেইনারে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন নিয়ে আসে ভারতীয় রেলওয়ের বিশেষ ট্রেন ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’।

যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরে স্থলপথে ব্যবসার ক্ষেত্রে ভারতের পেট্রাপোল কালীতলা ট্রাক পার্কিং সিন্ডিকেটের কাছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছিলেন। প্রায়ই সিরিয়ালের নামে ট্রাকপ্রতি তিন হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জোর করে চাঁদা আদায় করত।’

তিনি বলেন, ‘গত বছরের মার্চ মাসে সিন্ডিকেটের অত্যাচার বেড়ে যায়। এতে দেশের বাজারে বাড়তে থাকে আমদানি খরচ। দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতারা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে গত বছরের ৪ জুন থেকে রেলে সব ধরনের পণ্য আমদানি বাণিজ্যের অনুমতি দেয় সরকার। খরচ কম আর পণ্য পরিবহন নিরাপদ হওয়ায় দিন দিন ব্যবসায়ীরা রেলপথ বাণিজ্যে ঝুঁকে পড়ছেন।’

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর আমদানি বাড়ার পাশাপাশি রেল খাতে সরকারের চার গুণ রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছে।



সাতদিনের সেরা