kalerkantho

বুধবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৮। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২১ সফর ১৪৪৩

‘পুঁজিবাজারে আসেনি প্রণোদনার টাকা’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘পুঁজিবাজারে আসেনি প্রণোদনার টাকা’

প্রণোদনার টাকা পুঁজিবাজারে আসেনি বলে দাবি করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক ও সাবেক সভাপতি মো. রকিবুর রহমান। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাস অতিমারির প্রভাব মোকাবেলায় শিল্প খাতে দেওয়া সরকারের প্রণোদনার কোনো টাকা পুঁজিবাজারে আসেনি। রবিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, অনেক দিন পর সবার সম্মিলিত চেষ্টায় দেশের পুঁজিবাজার যখন স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে, তখন এ ধরনের বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও দুঃখজনক। তিনি এই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন এতে বিভ্রান্ত ও আতঙ্কিত না হন।

রকিবুর বলেন, মুদ্রাবাজার ও পুঁজিবাজার গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত পুঁজিবাজারে নেতিবাচক কোনো মন্তব্য না করা, কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের বর্তমান গতিশীলতা প্রণোদনার টাকার কারণে হয়নি। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির বর্তমান কমিশনের নানামুখী উদ্যোগের ফলে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। ব্যাংকগুলোতে আমানতের সুদের হার কমতে কমতে ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। তাই ব্যাংকে আমানত রাখা আর লাভজনক নয়। তাই অসংখ্য মানুষ ব্যাংকে মেয়াদি আমানত না রেখে সেই টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছেন।

অন্যদিকে নানা ধরনের বিধি-নিষেধের কারণে এখন চাইলেও নির্দিষ্ট সীমার বেশি টাকার সঞ্চয়পত্র কেনা যায় না। সেখানে বিনিয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসায় উদ্বৃত্ত সঞ্চয় পুঁজিবাজারমুখী হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাজারে ১০ কোটি, ২০ কোটি বা ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে, এমন অসংখ্য বিনিয়োগকারীকে চেনেন তিনি। তাঁদের কেউ প্রণোদনার টাকা পাননি। কারণ এঁদের কারোরই কোনো শিল্প-কারখানা নেই। যদি প্রণোদনার কিছু টাকা পুঁজিবাজারে এসেও থাকে, তাহলে তার দায় বাংলাদেশ ব্যাংকের। তাদের মনিটরিং ফাঁকি দিয়ে পুঁজিবাজারে টাকা স্থানান্তরের কোনো সুযোগ থাকার কথা নয়।

রকিবুর রহমান বলেন, পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর অজুহাতে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোকে নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে বোনাস দিতে উৎসাহ জোগানো হয়েছে। এতে কিছু সুযোগসন্ধানী অসাধু ব্যাংকের উদ্যোক্তা ক্রমাগত বোনাস দিতে দিতে মূলধনের আকার অস্বাভাবিক রকম বাড়িয়ে ফেলেছেন।