kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

৪ লাখ পশু বিক্রি ডিজিটাল হাটে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৪ লাখ পশু বিক্রি ডিজিটাল হাটে

তিন লাখ ৮৭ হাজার ৫৭৯টি পশু বিক্রি হয়েছে ডিজিটাল হাটে। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে চালু হওয়া দেশব্যাপী অনলাইন কোরবানির পশুর হাট থেকে মোট বিক্রি হওয়া পশুর মূল্য দুই হাজার ৭৩৫ কোটি ১১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। গরু ও মহিষ বিক্রি হয়েছে দুই লাখ ৯৬ হাজার ৭১০টি এবং ছাগল ও ভেড়া বিক্রি করা হয়েছে ৯০ হাজার ৮৬৯টি। এবারের ঈদুল আজহার আগের দিন (২০ জুলাই) পর্যন্ত ডিজিটাল হাটসহ এক হাজার ৮৪৩টি অনলাইন হাট থেকে এই পশু বিক্রি হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু করা স্ক্রো সেবার মাধ্যমে ডিজিটাল হাট থেকে সরাসরি ২৪টি পশু বিক্রি হয়েছে এবং ২৬৫টি পশু স্লটারিং করে ক্রেতার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্লটারিংয়ের জন্য বুক করা পশুগুলোকে জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াকরণ করে শিডিউল মোতাবেক ঈদের দিন ক্রেতার বাসায় ডেলিভারি দেওয়া হয়। অন্যান্য পশু ক্রেতাদের বাসায় সরাসরি ডেলিভারি করা হয়। ৮০ শতাংশ পশু ঈদের এক দিন আগে ডেলিভারি দেওয়া হয়। বাকি ২০ শতাংশ পশু ঈদের আগের দিন ডেলিভারি সম্পন্ন করা হয়।

সূত্র জানায়, ডিজিটাল হাট থেকে সরাসরি এক হাজার ৫৬৫টি পশু বিক্রি হয়েছে। যার মধ্যে এক হাজার ৪৫৭টি গরু ও মহিষ এবং ১০৮টি ছাগল ও ভেড়া ছিল। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও ই-ক্যাবের যৌথ উদ্যোগে এবং এটুআইয়ের কারিগরি সহায়তায় চালু করা হয়েছিল ডিজিটাল হাট। যেখান থেকে ঈদুল আজহার আগের দিন পর্যন্ত কোরবানির পশু বেচাকেনার সুযোগ ছিল।

ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ‘গতবার আমরা ২৭ হাজার পশু বিক্রি করেছি। এবার আমাদের লক্ষ্য ছিল কমপক্ষে এক লাখ পশু বিক্রি করা। সারা দেশের এক হাজার ৮৪৩টি অনলাইন হাট থেকে তিন লাখ ৮৭ হাজার পশু বিক্রি হয়েছে, যার মূল্য দুই হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা। এতে প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা যেমনি লাভবান হয়েছেন তেমনি ন্যায্য মূল্যে পশু ক্রয় করতে পেরেছেন ক্রেতারা। ডিজিটাল কোরবানির হাট করোনাকালীন চাপে থাকা গ্রামীণ অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও প্রাণ সঞ্চার করেছে।

বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ ইমরান বলেন, ‘পশু সঠিকভাবে জবাই ও মাংস প্রসেস করে সময়মতো বাসায় পৌঁছে দেওয়া একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ। এই কাজটি এবারও আমরা কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়া করতে পেরেছি এটাই বড় কথা। নগরবাসী আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে আমরা সব সময় তার মূল্য দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ২৬৫ জন গ্রাহক এবার স্লটারিং সেবা নিয়েছেন। আমরা ১২ তারিখের মধ্যে স্লটারিং বুকিং সম্পন্ন করেছি, ফলে অনেকে স্লটারিং সেবা নিতে পারেননি, ভবিষ্যতে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করব।’



সাতদিনের সেরা