kalerkantho

শনিবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৮। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১০ সফর ১৪৪৩

রপ্তানি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনায় ২৭০০ কোটি টাকা ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রপ্তানি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনায় ২৭০০ কোটি টাকা ছাড়

রপ্তানি ভর্তুকি, রেমিট্যান্স প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা বাবদ দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে সরকার। চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে এ টাকা ছাড় করা হয়েছে। কোরবানি ঈদের আগে অর্থ মন্ত্রণালয় এ অর্থ ছাড় করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, বর্তমানে সরকার ৩৭টি খাতে পণ্য রপ্তানিকারকদের ন্যূনতম ২ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩৭টি শ্রেণির ৪৭ ধরনের পণ্য এখন বিভিন্ন হারে প্রণোদনা পায়। এর মধ্যে আটটি পণ্যকে ২০ শতাংশ, পাঁচটি পণ্য ১৫ শতাংশ এবং ১৯টি পণ্যকে ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হয়। আর অন্যগুলোতে ১ থেকে ৯ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া অন্যান্য খাতে ভর্তুকি তো আছেই।

অর্থ মন্ত্রণালয় গত ১৩ জুলাই তিন খাতে দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে। এগুলো হলো সাধারণ রপ্তানি ভর্তুকি, প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে নগদ সহায়তা এবং পাট খাতে ভর্তুকি। অর্থ মন্ত্রণালয় সাধারণ রপ্তানি ভর্তুকি খাতে ছাড় করেছে এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এ খাতে গার্মেন্ট, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, হস্তশিল্প, কুটির শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং ও খাদ্যদ্রব্য রয়েছে।

বৈধ পথে রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয় সরকার। এর পর থেকে প্রায় প্রতি মাসেই হচ্ছে নতুন নতুন রেকর্ড। ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ দুই লাখ ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ১৯৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। পুরো অর্থবছরের মধ্যে ওই মাসেই প্রবাসীরা সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। চলতি অর্থবছরেও রেমিট্যান্স পাঠানোয় একই ধারা অব্যাহত আছে। তাই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনার ভর্তুকি এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া পাট খাতের জন্য ২০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে। বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্য রপ্তানিতে ২০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। এ খাতকে উৎসাহিত করতে এই সহায়তা দেওয়া হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর রপ্তানি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়। আর ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে রেমিট্যান্সে নগদ প্রণোদনার ওপর ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। এর মধ্যে রেমিট্যান্স রেকর্ডের পর রেকর্ড হলেও সহায়তা পাওয়া অন্য খাতগুলো একই অবস্থায় আছে। কোনো কোনো খাত সহায়তা নিয়েও ধুঁকছে।



সাতদিনের সেরা