kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

সিঙ্গাপুরের প্রযুক্তি ও সহায়তা কামনা

হালাল খাদ্যের বাজার ধরার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হালাল খাদ্যের বাজার ধরার উদ্যোগ

বাণিজ্যমন্ত্রী

২০২৩ সালের মধ্যে হালাল পণ্যের বিশ্ববাজার হবে প্রায় ২.৬ ট্রিলিয়ন ডলারের। এই বাজার ধরার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে সিঙ্গাপুরের নতুন প্রযুক্তি ও সহযোগিতা নেওয়া হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ‘স্পট লাইট বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে ভার্চুয়ালি স্বাগত বক্তব্যের পর সিঙ্গাপুরের ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড মিনিস্টার ইন চার্জ অব ট্রেড রিলেশনস এস ইসওয়ারানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় এ কথা বলেন। এ সময় সিঙ্গাপুরের ট্রেড রিলেশনস মিনিস্টার যৌথভাবে বাংলাদেশে হালাল খাদ্য উৎপাদন, বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের অভিজ্ঞতা শেয়ার এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণে কাজ করছে। বিশ্ববাজারে হালাল খাদ্যের একটি বড় বাজার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ হালাল খাদ্য উৎপাদন করতে সক্ষম। তাই যৌথভাবে হালাল ফুড উৎপাদনে অংশীদারির ভিত্তিতে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে কাজ করতে পারে। মিউচুয়াল রিকগনিশন, সার্টিফিকেশন এবং কোয়ালিটি নিশ্চিত করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় হালাল পণ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ২০২৬ সালে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ বা পিটিএ স্বাক্ষরের মতো বাণিজ্যচুক্তি করে বাণিজ্য সুবিধা গ্রহণের চেষ্টা করবে। সিঙ্গাপুর এ ধরনের অনেক বাণিজ্যচুক্তি সম্পাদন করেছে, সিঙ্গাপুরের সঙ্গে অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। এতে বাংলাদেশ বাণিজ্যচুক্তি সম্পাদনের সময় আলাপ-আলোচনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবে।’ বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজীকরণে কাজ করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) দেশে বিনিয়োগ সহজ করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে। যাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অতিসহজেই ব্যবসাবান্ধব পরিবেশে বিনিয়োগ করতে পারেন। এখন সব কাজ অনলাইনে সম্পন্ন করার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।’