kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

আহ্ছানিয়া মিশনের মতবিনিময়

অধূমপায়ীদের রক্ষায় রেস্তোরাঁয় স্মোকিং জোন না রাখার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতির হাত থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষায় রেস্তোরাঁয় স্মোকিং জোন না রাখার দাবি উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে পর্যটন খাতের প্রসারের জন্য শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য আইন সংশোধনও প্রয়োজন বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়।

এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ-এটিজেএফবির সভাপতি ও এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক নাদিরা কিরণের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশের লিড পলিসি অ্যাডভাইজার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, গ্র্যান্টস ম্যানেজার আবদুস সালাম মিয়া, সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার মো. আতাউর রহমান মাসুদ, কমিউনিকেশনস অফিসার সরকার শামস বিন শরীফ, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সহকারী পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান এবং এটিজেএফবির সাধারণ সম্পাদক ও বাসসের অনলাইন ইনচার্জ তানজীম আনোয়ার। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের মিডিয়া ম্যানেজার রেজাউর রহমান রিজভীর সঞ্চালনায় এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়ক মো. শরিফুল ইসলাম।

মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যিনি ধূমপান করেন না তার অধিকার আছে পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতির হাত থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য। অথচ পরোক্ষ ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যাই বেশি। যেহেতু ধূমপানের ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, সে জন্য সব ধরনের পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করা উচিত।

মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘বিশ্বের ৬৩টি দেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত জায়গা নিষিদ্ধ করে আইন রয়েছে। সব ধরনের পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করা এবং ধূমপানসহ তামাক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।